সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফুজাইরা তেল শিল্প এলাকায় ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। সোমবার বিকেলে ইরান থেকে চারটি ড্রোন নিক্ষেপ করা হয়েছে বলে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে। আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে তিনটি ড্রোন ধ্বংস করা সম্ভব হলেও একটির আঘাতে তেল স্থাপনায় অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়।
বিকেল ৫টার দিকে আমিরাতের বাসিন্দাদের মোবাইলে প্রথম জরুরি সতর্কতা পাঠানো হয়। পরবর্তীতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ার কথা জানানো হলেও সন্ধ্যা ৭টার দিকে পুনরায় মিসাইল হামলার সতর্কতা জারি করা হয়। তবে ইরান এখন পর্যন্ত এই হামলার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেনি।
বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালীতে বর্তমানে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। মার্কিন অর্থমন্ত্রী দাবি করেছেন, এই জলপথের ওপর এখন যুক্তরাষ্ট্রের ‘পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ’ রয়েছে এবং তাদের নৌবাহিনী বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে নিরাপত্তা দিচ্ছে। অন্যদিকে, ইরানি সংবাদমাধ্যম এক মার্কিন ফ্রিগেটে হামলার দাবি করলেও যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড বিষয়টিকে ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছে।
এই অস্থিরতার মধ্যেই আমিরাতের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি ‘অ্যাডনক’-এর একটি ট্যাঙ্কারে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে আরব আমিরাত। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের বিশেষ অভিযান ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ আজ থেকে শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে।
আকাশপথে কিছুটা বিধিনিষেধ থাকলেও দুবাই বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা ধাপে ধাপে কার্যক্রম স্বাভাবিক করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। তবে ব্রিটিশ মেরিটাইম ট্রেড অপারেশনস (UKMTO) হরমুজ প্রণালী ও এর আশপাশের এলাকায় চলাচলকারী জাহাজগুলোকে উচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছে।
সূত্র: আল-জাজিরা
জেএইচআর
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন