জুলাই ঐক্য

আগ্রাসন বন্ধ না হলে ভারতের ভাঙন নিশ্চিত

নিজস্ব প্রতিবেদক প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১৭, ২০২৫, ০৮:০৬ পিএম
আগ্রাসন বন্ধ না হলে ভারতের ভাঙন নিশ্চিত

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ভারতে পালিয়ে থাকা জুলাই হত্যাকাণ্ডের আসামিদের দেশে ফিরিয়ে আনা এবং সীমান্তে বাংলাদেশি নাগরিকদের হত্যার প্রতিবাদে ‘মার্চ টু ইন্ডিয়ান হাইকমিশন’ কর্মসূচি পালন করেছে ‘জুলাই ঐক্য’। 

বুধবার বিকেলে রাজধানীর প্রগতি সরণিতে এই বিক্ষোভ ও লং মার্চ অনুষ্ঠিত হয়।

বিকেল সাড়ে ৩টায় রামপুরা সেতু এলাকা থেকে শুরু হওয়া এই লং মার্চটি বাড্ডার হোসেন মার্কেটের সামনে পৌঁছালে পুলিশের বাধার মুখে পড়ে। পরে সেখানেই অবস্থান নিয়ে প্রতিবাদ সভা করেন জুলাই ঐক্যের নেতাকর্মীরা। কর্মসূচি চলাকালীন প্রগতি সরণিতে প্রায় পৌনে দুই ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ ছিল।

বিক্ষোভ সমাবেশে নেতারা অভিযোগ করেন, ভারত সরকার জুলাই-আগস্টের গণহত্যার প্রধান আসামিদের আশ্রয় দিয়ে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।

বক্তারা বলেন, “শেখ হাসিনা ভারতের সাথে সখ্যতা গড়ে দেশে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিলেন। এখন নতুন কোনো দল যদি একইভাবে ভারতের প্রক্সি হয়ে ক্ষমতায় যেতে চায়, তবে বাংলাদেশের সচেতন মানুষ তা বরদাশত করবে না।”

সমাবেশে সীমান্ত হত্যার কঠোর সমালোচনা করে বক্তারা অবিলম্বে এই নৃশংসতা বন্ধের দাবি জানান। তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ভারত যদি তার আগ্রাসন ও খুনিদের প্রশ্রয় দেওয়া বন্ধ না করে, তবে বাংলাদেশও ভারতের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবে।

এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের নেতা মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদের নেতৃত্বে ‘বাবরের পথ ধরো, সেভেন সিস্টার স্বাধীন করো’ সহ ভারতবিরোধী বিভিন্ন স্লোগান দেন কয়েকশ আন্দোলনকারী।

বক্তারা আরও উল্লেখ করেন যে, একাত্তরের সহযোগিতার জন্য বাংলাদেশ কৃতজ্ঞ থাকলেও তার বিনিময়ে ভারত যদি বর্তমানে শত্রুভাবাপন্ন আচরণ করে, তবে তার কড়া জবাব দেওয়া হবে। বিকেল পৌনে ৫টায় সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শেষ হয়।

ইএইচ