দুই দেশের গুরুত্বপূর্ণ সরকারি সফর শেষ করে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার (২৬ জুন) স্থানীয় সময় বিকেল ৫টার দিকে চীনের বেইজিং দাসিং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে চায়না সাউদার্ন এয়ারলাইন্সের একটি বাণিজ্যিক ফ্লাইটে তিনি ও তাঁর সফরসঙ্গীরা ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করেন। বাংলাদেশ সময় রাত ৮টা বা এর কিছু পরে তাঁর ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
এর আগে বেইজিংয়ে অবস্থিত রাষ্ট্রীয় অতিথিশালা দিয়াওইউতাই থেকে বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। বিদায়ের সময় চীনা প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূত ইউ শিয়াওয়ং তাঁকে শুভেচ্ছা জানান।
প্রধানমন্ত্রীর দেশে ফেরাকে কেন্দ্র করে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাঁকে অভ্যর্থনা জানাতে বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রী, দলীয় জ্যেষ্ঠ নেতা এবং উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। তবে সফর উপলক্ষে কোনো ধরনের শোভাযাত্রা বা শক্তি প্রদর্শন না করতে দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
চার দিনের চীন সফরে প্রধানমন্ত্রী দেশটির প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গে পৃথক বৈঠক করেন। এসব বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক সহযোগিতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।
সফরের উল্লেখযোগ্য অর্জনের মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে দুটি চুক্তি এবং ১৩টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর। পাশাপাশি বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) ও চীনের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের মধ্যে তিনটি সমঝোতা এবং দুই দেশের রাজনৈতিক দলের মধ্যে একটি পৃথক সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে।
এর আগে মালয়েশিয়া সফরেও প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিতে তিনটি চুক্তি ও একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। ধারাবাহিক এই দুই সফরের মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ দুই দেশের অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদারের প্রত্যাশা করা হচ্ছে।
এএন
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন