‘দুর্দান্ত ফ্রান্সকে থামাতে পারে শুধু একটি দল’

স্পোর্টস ডেস্ক প্রকাশিত: জুলাই ২, ২০২৬, ০৬:০১ পিএম
‘দুর্দান্ত ফ্রান্সকে থামাতে পারে শুধু একটি দল’

২০২৬ বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ছন্দে থাকা ফ্রান্সকে থামাতে সক্ষম এমন দল এই মুহূর্তে মাত্র একটি- এমনটাই মনে করেন ইংল্যান্ডের সাবেক ফুটবলার ও ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড কিংবদন্তি গ্যারি নেভিল। তার মতে, বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার মানসিক দৃঢ়তা, আগ্রাসী ফুটবল এবং বড় ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতাই কেবল ফরাসিদের সামনে চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে।

সুইডেনকে ৩-০ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছে দিদিয়ের দেশমের শিষ্যরা। ওই ম্যাচে কিলিয়ান এমবাপ্পে জোড়া গোল করেন, আর একটি গোল আসে ব্র্যাডলি বারকোলার পা থেকে। এই জয়ের মাধ্যমে ফ্রান্স আবারও শিরোপার অন্যতম প্রধান দাবিদার হিসেবে নিজেদের অবস্থান আরও শক্ত করেছে।

শেষ ষোলোর ম্যাচে ২০২২ বিশ্বকাপের রানার্সআপ ফ্রান্সের প্রতিপক্ষ হবে প্যারাগুয়ে। এই ম্যাচে জয়ী দল কোয়ার্টার ফাইনালে কানাডা ও মরক্কোর মধ্যকার ম্যাচের বিজয়ীর মুখোমুখি হবে। ড্রয়ের এই অংশে পর্তুগাল, ক্রোয়েশিয়া, স্পেন, অস্ট্রিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, বসনিয়া, বেলজিয়াম ও সেনেগালের মতো শক্তিশালী দল থাকলেও, ফাইনালের আগে ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা কিংবা ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা নেই ফরাসিদের।

এমন বাস্তবতায় আইটিভি স্পোর্টসে বিশ্লেষণ করতে গিয়ে গ্যারি নেভিল বলেন, ফ্রান্সকে ফাইনালে ওঠার সবচেয়ে বড় দাবিদার বলেই তিনি মনে করেন। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান সময়ে কেবল আর্জেন্টিনার মধ্যেই এমন মানসিকতা ও দলীয় ঐক্য রয়েছে, যা ফ্রান্সের মতো শক্তিশালী দলকে থামাতে পারে।

নেভিলের ভাষায়, ‘এই মুহূর্তে কেবল একটি দলকেই আমি ফ্রান্সকে থামানোর মতো মানসিকতাসম্পন্ন মনে করি, আর সেটা হলো আর্জেন্টিনা। মাঠের ভেতরে তাদের আগ্রাসী মনোভাব, প্রতিপক্ষকে চাপে রাখার সক্ষমতা এবং বড় ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতাই ফ্রান্সকে আটকে দিতে পারে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আর্জেন্টিনা ছাড়া অন্য কোনো দলের মধ্যে আমি এখনো এমন ঐক্য বা সমন্বয় দেখিনি, যা ফ্রান্সের বিপক্ষে দৃঢ়ভাবে দাঁড়াতে পারে। তবে টুর্নামেন্ট যত এগোবে, ইংল্যান্ড, স্পেন কিংবা পর্তুগাল নিজেদের আরও উন্নত করতে পারে। সেটাই প্রত্যাশা।’

অন্যদিকে, বিশ্বকাপের শেষ ৩২-এ আর্জেন্টিনার প্রতিপক্ষ কেপ ভার্দে। এরপর নকআউট পর্বের প্রতিটি ম্যাচে জয় পেলে তবেই ফ্রান্সের মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ পাবে লিওনেল মেসির দল। সে ক্ষেত্রে ২০২২ সালের ফাইনালের পর আবারও বিশ্বকাপের মঞ্চে আর্জেন্টিনা ও ফ্রান্সের আরেকটি শিরোপা লড়াই দেখার সম্ভাবনা তৈরি হবে।

এএন