মেসিদের অপরাজিত থাকার নেপথ্যে ৫০০ কেজি গরুর মাংস!

স্পোর্টস ডেস্ক প্রকাশিত: জুলাই ১৬, ২০২৬, ০১:০৫ পিএম
মেসিদের অপরাজিত থাকার নেপথ্যে ৫০০ কেজি গরুর মাংস!

২০২৬ বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত অপরাজিত রয়েছে আর্জেন্টিনা। মাঠে এই সাফল্যের পেছনে যেমন লিওনেল মেসির দুর্দান্ত পারফরম্যান্স রয়েছে, তেমনি দলের খাদ্য ব্যবস্থাপনাও আলোচনায় এসেছে। বিদেশের মাটিতে খেললেও ফুটবলারদের যেন দেশের মতো পরিবেশ ও খাবার দেওয়া যায়, সে লক্ষ্যেই বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে আর্জেন্টিনা ফুটবল সংস্থা।

বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত ছয় ম্যাচে আটটি গোলের পাশাপাশি তিনটি অ্যাসিস্ট করেছেন মেসি। তবে শুধু তার ব্যক্তিগত নৈপুণ্য নয়, পুরো দলকে সেরা অবস্থায় রাখতে পুষ্টিকর ও পরিচিত খাবারের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ কারণেই যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে অংশ নিতে যাওয়ার সময় আর্জেন্টিনা দল প্রায় ৫০০ কেজি গরুর মাংস সঙ্গে নিয়ে গেছে বলে একাধিক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

জানা গেছে, দলের বেস ক্যাম্প কানসাস সিটিতে আর্জেন্টিনার ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন ধরনের গরুর মাংস পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে লোমো, ভাসিও, এন্ত্রানিয়া, মাতামব্রে, পেসেতো এবং আসাদো দে তিরার মতো জনপ্রিয় কাট। খেলোয়াড়দের নিয়মিত খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখতে এবং বিদেশেও পরিচিত স্বাদের খাবার নিশ্চিত করতেই এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এই বিশাল পরিমাণ খাদ্যসামগ্রী যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছে দিতে কয়েক মাস ধরে পরিকল্পনা করা হয়। দেশটির কঠোর স্বাস্থ্যবিধি ও আমদানি–সংক্রান্ত সব নিয়ম মেনেই পুরো চালান আর্জেন্টিনা শিবিরে পৌঁছেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আর্জেন্টিনা দলের সাপোর্ট স্টাফদের মতে, একজন পেশাদার ফুটবলারের পারফরম্যান্সের ক্ষেত্রে সঠিক খাদ্যাভ্যাস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বকাপের মতো বড় টুর্নামেন্টে অল্প সময়ের ব্যবধানে এক শহর থেকে আরেক শহরে ভ্রমণ, কঠিন ম্যাচ এবং দ্রুত পুনরুদ্ধারের জন্য সুষম পুষ্টির বিকল্প নেই। সে কারণেই খাবারের মানের সঙ্গে কোনো ধরনের আপস করতে চায়নি দলটি।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিভিন্ন ভিডিওতেও দেখা গেছে, ম্যাচের আগে ও পরে আর্জেন্টিনার ফুটবলাররা একসঙ্গে বারবিকিউ উপভোগ করছেন। দলের সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক বন্ধন দৃঢ় করা এবং চাপমুক্ত পরিবেশ তৈরি করতেও এমন আয়োজন ইতিবাচক ভূমিকা রাখছে। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সেমিফাইনালের আগেও একই ধরনের দৃশ্য দেখা গেছে, যা সমর্থকদের মধ্যেও ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

এএন