আমার সংবাদ ডেস্ক
জানুয়ারি ২৯, ২০২৬, ০৬:২১ পিএম
শেরপুরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতা মাওলানা রেজাউল করিম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ঝিনাইগাতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) প্রত্যাহার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার বিকেলে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে ইসি সচিব আখতার আহমেদ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
ইসি সচিব জানান, শেরপুরের ওই অপ্রীতিকর ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তাৎক্ষণিকভাবে ইউএনও এবং ওসিকে প্রত্যাহার করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্ট প্রার্থীদের বিরুদ্ধে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার পর কমিশন পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
এক প্রশ্নের জবাবে সচিব আরও জানান, আগামী ৮ ফেব্রুয়ারির পর আদালতের নির্দেশে কেউ নতুন করে প্রার্থিতা ফিরে পেলে পোস্টাল ব্যালটে তাঁদের নাম ও প্রতীক অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগ থাকবে না।
এর আগে বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয় যে, বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেলের উসকানি ও সরাসরি নির্দেশে এই হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের দাবি করেন, সেখানে কর্তব্যরত ইউএনও এবং পুলিশ প্রশাসন সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অবস্থান না নিয়ে নীরব ভূমিকা পালন করেছে। প্রশাসনের এই একপেশে অবস্থানের কারণে নির্বাচনের সমঅধিকার নিশ্চিত করা অসম্ভব হয়ে পড়ছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।
অন্যদিকে, শেরপুরের এই সংঘাত এড়ানো যেত কি না, তা খতিয়ে দেখতে সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানিয়েছে বিএনপি। বুধবার রাজধানীর গুলশানে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দলটির মুখপাত্র ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মাহদী আমিন এই দাবি উত্থাপন করেন। তিনি প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন করে দোষীদের শাস্তির আওতায় আনার আহ্বান জানান।
জেএইচআর