ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানি প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

মার্চ ১৪, ২০২৬, ১১:০৪ এএম

ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানি প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

সারাদেশের ইমাম, মুয়াজ্জিন, পুরোহিত ও যাজকসহ ধর্মীয় উপাসনালয়ের প্রতিনিধিদের জন্য রাষ্ট্রীয় সম্মানি প্রদান কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। 

শনিবার সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই ঐতিহাসিক কার্যক্রমের সূচনা করেন।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, পাইলট প্রকল্পের আওতায় প্রাথমিকভাবে ৪ হাজার ৯০৮টি মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন ও খাদেমদের পাশাপাশি ৯৯০টি মন্দিরের পুরোহিত ও সেবায়েত, ১৪৪টি বৌদ্ধবিহারের অধ্যক্ষ এবং ৩৯৬টি গির্জার যাজকদের এই সম্মানি প্রদান করা হবে।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতিটি মসজিদের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ১০ হাজার টাকা। এর মধ্যে ইমাম ৫ হাজার, মুয়াজ্জিন ৩ হাজার এবং খাদেম ২ হাজার টাকা করে পাবেন। মন্দির, বৌদ্ধবিহার ও গির্জার ক্ষেত্রে বরাদ্দের পরিমাণ ৮ হাজার টাকা। এর মধ্যে প্রধান ধর্মীয় ব্যক্তি (পুরোহিত/অধ্যক্ষ/যাজক) পাবেন ৫ হাজার টাকা এবং সহকারী বা সেবায়েত পাবেন ৩ হাজার টাকা।

সম্মানি ছাড়াও প্রতি বছর ধর্মীয় উৎসবগুলোতে (ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহা, দুর্গাপূজা, বৌদ্ধপূর্ণিমা বা বড়দিন) বিশেষ বোনাসের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বছরে মোট ২ হাজার টাকা বোনাস হিসেবে পাবেন।

প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জাবিউল্লাহ জানান, এই সম্মানি সরাসরি ব্যাংকের মাধ্যমে প্রদান করা হবে। চলতি অর্থবছরের মার্চ থেকে জুন মাস পর্যন্ত এই কার্যক্রমে ২৭ কোটি ৫৭ লাখ টাকা ব্যয় ধরা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে দেশের প্রতিটি ধর্মীয় উপাসনালয়কে এই প্রকল্পের আওতায় আনা হবে। তবে যেসব প্রতিষ্ঠান আগে থেকেই সরকারি বা বিদেশি সংস্থার নিয়মিত অনুদান পায়, তারা এই সুবিধার বাইরে থাকবে।

সরকারের এই উদ্যোগের ফলে দেশের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বপ্রাপ্তদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হলো এবং তাঁদের সামাজিক নিরাপত্তা আরও সুসংহত হলো বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

জেএইচআর

Link copied!