বরিশালে শিক্ষার্থীদের যৌন হয়রানির অভিযোগ শিক্ষকের বিরুদ্ধে

বরিশাল ব্যুরো প্রকাশিত: মে ১১, ২০২৪, ০৬:১০ পিএম

বরিশাল নগরীর হালিমা খাতুন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ব্যবসা শিক্ষক শাখার শিক্ষক মাইদুল ইসলামের বিরুদ্ধে ১২ ছাত্রী শিক্ষার্থীকে যৌন হয়রানির অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে স্কুল কর্তৃপক্ষ। ঘটনার সত্যতা পেয়েছে বলে জানিয়েছে তদন্ত কমিটি।

তবে অভিযুক্ত শিক্ষক বিষয়টি অস্বীকার করে জানান তিনি ছুটিতে আছেন।

স্কুল সূত্রে জানা গেছে, ঘটনার দিন ৫ মে ৬ষ্ঠ  শ্রেণির শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল প্রযুক্তি ক্লাশ ছিল। মাইদুল ইসলাম নামের ওই শিক্ষক ক্লাসে গিয়ে ছাত্রীদের সাথে অশ্লীল কর্মকাণ্ড করার অভিযোগ করে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে প্রধান শিক্ষক বরাবর।

তা ছাড়া স্বামীকে কীভাবে সন্তুষ্টি করতে হয় তা নিয়ে অপ্রসাঙ্গিক কথা বলেন ওই শিক্ষক মাইদুল বলেও অভিযোগ ১২ শিক্ষার্থীদের। আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার দাবি করেন অভিভাবকদের।

এদিকে শিক্ষক মাইদুল ইসলামের এমন আচরণের সত্যতা পেয়েছেন বলে জানিয়েছেন তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি। অভিযুক্ত শিক্ষক মাইদুল ইসলামের মুঠোফোনের ফোন করে জানতে চাইলে তিনি প্রথমে পুরো বিষয়টি অস্বীকার করলে পরবর্তীতে নিজেকে নির্দোষ দাবি করেন এবং তিনি চার দিনের ছুটিতে আছেন বলে প্রধান শিক্ষকের সাথে কথা বলতে বলেন।

স্কুলের প্রধান শিক্ষক এস এম ফখরুজ্জামান জানান, ৯ মে স্কুলের পরিচালনা কমিটির সভা ডেকে তাকে পুরোপুরি বরখাস্ত করা হয়েছে। এর আগেও তার বিরুদ্ধে এরকমের অভিযোগ পাওয়ার পরে সাধারণ ক্ষমা করে দেওয়া হয়েছিলো। অভিভাবকরা চাইলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সাল জানান, দায়ী শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবেন তারা। কোন ধরনের ক্ষমা হবে না তার। চুক্তি ভিত্তিক এই শিক্ষককে এর আগেও স্কুলে কোচিং করানো এবং ছাত্রীদের হয়রানির অভিযোগে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছিল। তবে অভিভাবকদের অভিযোগ এর আগের ঘটনা স্কুল কর্তৃপক্ষ শুনেও তখন কেন ব্যবস্থা নেয়নি তারা। আর এখনও তারা কেন নিশ্চুপ।

ইএইচ