কুমিল্লায় নগরীর টিক্কারচর এলাকার অটোরিক্সার ড্রাইভার মো. পরান (৪০) হত্যার মামলার রহস্য উদঘাটন করে কোতয়ালী থানা ও জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় মধ্য দিয়ে গোবিন্দপুর রেলগেট এলাকা থেকে গত সোমবার
সদর দক্ষিণ, শাকতলা এলাকার পিতা মো. আব্দুল হাকিমের ছেলে পরান হত্যাকাণ্ডের মূলহোতা জাবেদ হোসেন (২৬) কে গ্রেপ্তার করে জেলা পুলিশ।
গ্রেপ্তাকৃতজাবেদকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে এই চক্রের আরও ৪ সদস্য গ্রেপ্তারসহ বেশকিছু চোরাই ৭টি অটোরিক্সা, ৪টি অটোরিক্সা ব্যাটারি, চোরাই অটোরিক্সার যন্ত্রাংশ উদ্ধার করা হয়।
কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার কার্যালয়ে মঙ্গলবার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান জেলা পুলিশ সুপার আব্দুল মান্নান বিপিএম (বার)।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদে জানানা যায় চক্রটি দীর্ঘদিন যাবৎ সন্ধ্যায় মহানগরীসহ আশপাশ এলাকায় হতে অটোরিক্সা ভাড়া নিয়ে থাকে কৌশলে ড্রাইভারকে চেতনানাশক ঔষধ মেশানো মিশ্রিত বিস্কুট ও কোমলপানীয় খাইয়ে মহাসড়কে ড্রাইভারকে ফেলে রেখে পরিকল্পনা মোতাবেক নির্দিষ্ট স্থানে পোঁছালে অটোরিকশাটি নিয়ে চলে যায়। চেতনাহীন ড্রাইভার মহাসড়কে ভারী যানবাহন পিষ্ট হয়ে মৃত্যুবরণ করে।
তিনি আরও জানান, চক্রের মূল মাস্টারমাইন্ডকে চিহ্নিত করেছে গোয়েন্দা পুলিশ। তার পরিচয়ও পাওয়া গেছে। খুব শীঘ্রই তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।
জেলা পুলিশ সূত্রে গ্রেফতারকৃত আসামিরা হলো- সদর দক্ষিণ থানার অম্বরপুর গ্রোমের ছেলে এলাকার মো. আব্দুল রবের ছেলে মো. শরীফ (২৫), সদর দক্ষিণ থানার শাকতলা উওরপাড়া গ্রামের পিতা-দেলোয়ার হোসেনর ছেলে মো. রুবেল (২৮),
চৌদ্দগ্রাম থানার গোবিন্দপুর, নদীর পাড় গ্রামের মৃত আরব রহমানের ছেলে মো. আমির হোসেন (৩২), চৌদ্দগ্রাম থানার গোবিন্দপুর, উত্তর পাড়া এলাকার মৃত সুরুজ মিয়া ছেলে মো. সোহাগ হোসেন (২৫) কে গ্রেপ্তার হয়। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার খন্দকার আশফাকুজ্জামান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. কামরান হোসেন, কোতয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফিরোজ হোসেন, জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের (ওসি) রাজেশ বড়ুয়াসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
আরএস