চট্টগ্রাম কারাগারে গোলাগুলি হয়েছে। পরে সেনাবাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেন। কিছু কয়েদি বিদ্রোহ করতে চেয়েছিল বলে জানা গেছে।
কারাগারের বাইরে থেকেও একদল দুর্বৃত্ত প্রধান ফটক ভাঙার চেষ্টা চালায়। একপর্যায়ে তাদের লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়ে কারারক্ষীরা। পরে সেনা সদস্যরা আসার পর পরিস্থিতি শান্ত হয়।
শুক্রবার দুপুর দুটার পরপরই এ সংঘর্ষ শুরু হয়।
স্থানীয়রা বলছেন, জুমার নামাজ শেষে কিছুক্ষণ পরপরই হঠাৎ শোনা যায় গুলির শব্দ। এরপর তা বাড়তে থাকে। শোনা গেছে হৈ-হুল্লোড়ের শব্দও। পুরো এলাকার পরিস্থিতি থমথমে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নগর পুলিশের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বাইরে থেকে কিছু লোক জড়ো হয়ে কারাগারের প্রধান ফটক ভাঙার চেষ্টা চালায়। এরপরপরই ভেতরে থাকা বন্দিরা বিদ্রোহ শুরু করে এবং কারারক্ষীদের সাথে সংঘর্ষে জড়ায়।
কারাগার সূত্রে জানা গেছে, বিভিন্ন কারাগার থেকে অনেক আসামি ছাড়া পাচ্ছেন তাই চট্টগ্রাম কারাগারের বন্দিদেরও মুক্তি কেন দেওয়া হচ্ছে না—এজন্যই তারা বিদ্রোহ করেছেন।
একজন কারারক্ষী জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে এবং সব বন্দি নিরাপদ আছেন। বন্দিদের মধ্যে ২৫ জনের মতো জঙ্গি, মহিলাসহ দেড়শ জনের মতো কুকি চিন সদস্য এবং শতাধিক মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আছে।
ইএইচ