ফটিকছড়িতে বন্যায় নিখোঁজ ৩ লাশ উদ্ধার

ফটিকছড়ি (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি: প্রকাশিত: আগস্ট ২৪, ২০২৪, ০১:২৭ পিএম

অবিরাম বর্ষন ও পাহাড়ী ঢলে গত কয়েক দিন যাবৎ চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলায় হালদা নদী ও বিভিন্ন খালের বহু স্থানে বাঁধ ভেঙ্গে ভয়াবহ বন্যার সম্মুখীন হয়েছে কয়েক লাখ মানুষ। গত তিন দিনে বন্যার পানিতে নিখোঁজ ৩জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

তারা হলেন– উপজেলার নারায়নহাট ইউনিয়নের তাজুল ইসলামের ছেলে এমরান হোসেন(২২), দাঁতমারা ইউনিয়নের জামাল উদ্দীনের পুত্র সাহাদাৎ হোসেন (১০) ও ভুজপুর ইউনিয়নের সুলতান আহমেদের পুত্র রজি আহমেদ(৬০)।

সরেজমিন শনিবার দিনভর বিভিন্ন ইউনিয়নে গিয়ে দেখা যায়, বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও অনেক যায়গায় এখনো পানি বন্দি আছে মানুষ।

শুক্রবার বিভিন্ন স্থানে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় ত্রাণ বিতরণে স্বেচ্ছাসেবকদের কষ্ট হলও শনিবার বন্যা কবিলত এলাকার অন্তত ১০টি ইউনিয়নের দূর্গম এলাকাগুলোতে ত্রাণ নিয়ে ছুটে গেছে বহু
স্বেচ্ছাসেবী ও মানবিক সংগঠন। কিছু কিছু এলাকায় শিশু খাদ্য, ঔষধ ও পানীয় জলের অভাব দেখা দিয়েছে। সীমান্তবর্তী বাগানবাজার ইউনিয়নের বাসিন্দা মোহাম্মদ ইমন জানান, আশে পাশের অনেক গ্রামের বাড়ি-ঘর এখনো পানিতে নিমজ্জিত।

উপজেলা বন্যা নিয়ন্ত্রণ কক্ষের কর্মকর্তা আবুল হোসেন জানান, আমরা চেষ্টা করছি, বন্যাকবিলত এলাকাগুলোতে ত্রাণ পৌঁছানোর। পানি একেবারে নেমে গেলে সব যায়গায় ত্রাণ
দেওয়া সহজ হবে।

এদিকে বন্যা দুর্গত এলাকায় রাত-দিন উদ্ধার অভিযান ও সহযোগীতা করে চলছেন উপজেলা প্রশাসন,সেনাবাহিনী,বিজিবি ও রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী এবং দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা শতাধিক স্বেচ্ছাসেবক দল সহ বিভিন্ন সংগঠন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, ফটিকছড়ির মানুষ ভয়াবহ বন্যার সম্মুখীন। উত্তর ফটিকছড়ির সাথে সড়ক যোগাযোগ কিছুটা স্বাভাবিক হয়েছে।
এখনো অনেক গ্রামীণ সড়ক পানির নিচে। উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগ ও জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল বিভাগের একাধিক টিম কাজ করছে।

বিআরইউ