ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

বাঘাইছড়িতে বর্ষা ও পাহাড়ি ঢলের কারণে পানিবন্দী শতাধিক পরিবার

বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি

বাঘাইছড়ি প্রতিনিধি

আগস্ট ২৯, ২০২৫, ০৫:০৮ পিএম

বাঘাইছড়িতে বর্ষা ও পাহাড়ি ঢলের কারণে পানিবন্দী শতাধিক পরিবার

রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডের বটতলী থেকে উগলছড়ি সড়ক দীর্ঘদিন ধরে পানিতে তলিয়ে আছে। সাম্প্রতিক ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের কারণে শুধু সড়ক নয়, উপজেলার কয়েকটি নিম্নাঞ্চলের মানুষও পানিবন্দী হয়ে পড়েছেন। এ অবস্থায় প্রায় ৫০০ পরিবারের দৈনন্দিন জীবন, শিক্ষাজীবন ও ব্যবসায়িক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, টানা বর্ষা ও পাহাড়ি ঢলের কারণে উগলছড়ি সড়ক ও এফ ব্লক এলাকার কয়েকটি রাস্তা পানির নিচে তলিয়ে গেছে। বাঘাইছড়ি ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব লাইল্যাঘোনা গ্রামে দুইশতাধিক পরিবারও দুই মাসের বেশি সময় ধরে পানিবন্দী অবস্থায় রয়েছে। এতে চলাচল, বিদ্যালয় যাত্রা ও জরুরি রোগী পরিবহন উল্লেখযোগ্যভাবে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

বটতলী এলাকার বাসিন্দা ফরহাদ আদনান পলাশ বলেন, “পানিবন্দী থাকার কারণে শিক্ষার্থীরা স্কুলে যেতে পারছে না, ছোট শিশুদের জীবন ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে এবং প্রতিটি পরিবার পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত। কাপ্তাই হ্রদের পানি দ্রুত কমানো না হলে এই সমস্যা সমাধান সম্ভব হবে না।”

সিঙ্গিনালা দাখিল মাদ্রাসার শিক্ষক মো. রিয়াজ উদ্দিন বলেন, “সড়কটি পানিতে ডুবে যাওয়ায় যাতায়াতের জন্য নৌকা ছাড়া কোনো উপায় নেই। কিছু অটোরিক্সা ও মোটরসাইকেলও পানিতে ডুবে ক্ষতি হয়েছে। কাপ্তাই হ্রদের পানি নিয়ন্ত্রণ না হলে সমস্যার সমাধান হবে না।”

স্থানীয় বাসিন্দা মো. এমদাদ বলেন, “বাড়িঘর পানিবন্দী হওয়ায় গবাদি পশু রাস্তার মধ্যে রাখতে হচ্ছে, যার ফলে পরিবেশ ও পশুর স্বাস্থ্যও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।”

কৃষক মো. বিল্লাল হোসেন জানান, “গত তিন বছর ধরে বর্ষা মৌসুমে ধান চাষ করতে পারছি না। কাপ্তাই হ্রদের পানির অতিপ্রবাহ বর্ষা মৌসুমে সমস্যার সৃষ্টি করছে, আবার শীত মৌসুমে পানি কম থাকায় চাষে অসুবিধা হচ্ছে। হ্রদটিকে কৃষি বান্ধব করার দাবি করছি।”

উপজেলা কৃষি অধিদপ্তরের উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা তোফায়েল আহমেদ বলেন, “অতিরিক্ত বৃষ্টি ও পাহাড় ক্ষয়ের কারণে কাচালং নদী ও ছোট খালগুলো নাব্যতা হারিয়েছে। সঠিকভাবে খনন করলে আবাদী জমি চাষযোগ্য হবে।”

উপজেলার নবাগত নির্বাহী কর্মকর্তা আমেনা মারজান বলেন, “জনগণের ভোগান্তি অত্যন্ত দুঃখজনক। বিষয়টি দ্রুত সমাধানের জন্য উর্ধ্বতন কতৃপক্ষকে অবহিত করব।”

ইএইচ

Link copied!