ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

বিএনপি নেতা খুন: মৃত্যুর আগে ১১ জনকে দায়ী করা ভিডিও ভাইরাল

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

নভেম্বর ১৮, ২০২৫, ১১:২৩ এএম

বিএনপি নেতা খুন: মৃত্যুর আগে ১১ জনকে দায়ী করা ভিডিও ভাইরাল

লক্ষ্মীপুরে স্থানীয় বিএনপি নেতা আবুল কালাম জহিরকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করার কয়েক ঘণ্টা আগে ধারণ করা তাঁর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। 

সোমবার রাত ১০টার পর ৩৪ সেকেন্ডের এই ভিডিওটি ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।

ভিডিওতে জহির স্পষ্টভাবে বলেন, তাঁর মৃত্যুর জন্য ১১ জনকে দায়ী করা উচিত। এদের মধ্যে রয়েছেন তাঁর চাচাতো ভাই খোরশেদ, ছোট কাউসার, তিন ভাই, শাহ আলম ও তাঁর দুই ছেলে, স্বপন, আলমগীর ও সুমন। ভিডিওতে তিনি আরও বলেন, “যদি আমার মৃত্যু ঘটে, তবে এদের বিরুদ্ধে মামলা হবে।”

স্থানীয়দের দাবি, জহির ঘটনাটি আগেই আশঙ্কা করেছিলেন। তাঁদের মতে, এটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ডের ইঙ্গিত বহন করছে।

এদিকে ভিডিওটি নজরে আসার পর পুলিশ দ্রুত অভিযান চালায়। লক্ষ্মীপুরের পুলিশ সুপার মো. আকতার হোসেন জানান, লতিফপুর এলাকার শাহ আলমের ছেলে ইমন হোসেন, মমিন উল্যাহর ছেলে আলমগীর হোসেন এবং নুরুল আমিনের ছেলে হুসাইন কবির সেলিমকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি আসামিদের ধরতে অভিযান চলছে।

এর আগে সোমবার বিকেলে নিহতের স্ত্রী আইরিন আক্তার চন্দ্রগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। সেখানে ভিডিওতে উল্লেখিত ১১ জন ছাড়াও আরও দু’জনকে আসামি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, গত শনিবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে চন্দ্রগঞ্জের মোস্তফার দোকান এলাকায় জহিরকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা করা হয়। ঘটনা ঘটানোর সময় প্রধান অভিযুক্ত কাউসার হোসেন কাছাকাছিই ছিলেন বলে দাবি পরিবার ও স্থানীয়দের। হত্যার কিছুক্ষণ পরই কাউসারের ফেসবুক আইডি থেকে একটি ক্রিকেট ভিডিও পোস্ট করে ‘আউট’ লেখা হয়। নিহতের পরিবার মনে করছে, এটি হত্যার ইঙ্গিত হিসেবে দেওয়া হয়েছিল।

তবে অভিযুক্ত কাউসার দাবি করেন, ভিডিওটি তার ফেসবুক আইডি থেকে পোস্ট হলেও হত্যার সঙ্গে তার কোনও সম্পৃক্ততা নেই। তিনি জানান, ঘটনার সময় তিনি লতিফপুর বাজারেই ছিলেন এবং সন্ধ্যার আগে জহিরের সঙ্গে বাজারে সময় কাটিয়েছেন।

হত্যাকাণ্ড ঘিরে এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দ্রুততম সময়ের মধ্যে সব আসামিকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়েছেন।

 ইএইচ

Link copied!