রফিকুল ইসলাম, পূর্বাচল
জানুয়ারি ২৭, ২০২৬, ০৮:২১ পিএম
সমাপনী লগ্নে পৌঁছেছে ৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা। মেলার সময়সীমা ঘনিয়ে আসার সাথে সাথে দর্শনার্থী ও ক্রেতাদের উপস্থিতিতে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। বিশেষ করে শেষ মুহূর্তের বিশেষ মূল্যছাড় (ডিসকাউন্ট) লুফে নিতে প্রতিদিন মেলা প্রাঙ্গণে ভিড় জমাচ্ছেন হাজারো মানুষ। প্রতিটি প্যাভিলিয়ন ও স্টলে এখন ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
ছাড়ের হিড়িক ও ক্রেতাদের ভিড় দেশি-বিদেশি বিভিন্ন স্টলে পোশাক, ইলেকট্রনিকস, হোম অ্যাপ্লায়েন্স, কসমেটিকস ও লাইফস্টাইল পণ্যে দেওয়া হচ্ছে আকর্ষণীয় ছাড়। ব্যবসায়ীরা জানান, মেলার শেষ দিনগুলোতে বিক্রি বাড়াতে অনেক পণ্যে ১০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত ডিসকাউন্ট দেওয়া হচ্ছে।
রাজধানীর উত্তরা থেকে আসা এক দর্শনার্থী বলেন, শেষ সময়ে সাধারণত ভালো ডিসকাউন্ট পাওয়া যায়, তাই আজ পরিবার নিয়ে কেনাকাটা করতে এলাম। পছন্দের অনেক পণ্যই কিছুটা কম দামে কিনতে পারছি।
ব্যস্ত বিক্রেতা ও লোকসান ঘোচানোর আশা মেলার শুরু ও মাঝামাঝি সময়ে বিক্রি আশানুরূপ না হলেও এখন দম ফেলার সময় পাচ্ছেন না বিক্রেতারা। স্টলগুলোর ভাড়া ও অন্যান্য খরচ বেশি হওয়ায় শেষ মুহূর্তের এই বিক্রির ওপরই বড় ভরসা করছেন ব্যবসায়ীরা। এক ফার্নিচার প্যাভিলিয়নের বিক্রয় প্রতিনিধি জানান, শেষ সময়ের এই বিপুল সাড়া তাঁদের শুরুর দিকের লোকসান পুষিয়ে নিতে সহায়ক হবে।
খাবারের মান ও দাম নিয়ে অসন্তোষ কেনাকাটায় মেলা জমজমাট হলেও খাবারের মান ও অতিরিক্ত দাম নিয়ে দর্শনার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা গেছে। অনেক স্টলে নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দাম রাখার অভিযোগ উঠেছে। একই সাথে খাবারের গুণগত মান নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন দর্শনার্থীরা। এ বিষয়ে কর্তৃপক্ষের কঠোর নজরদারি দাবি করেছেন সাধারণ ক্রেতারা।
উপসংহার আয়োজক ও ব্যবসায়ীরা আশা করছেন, মেলার বাকি দিনগুলোতে দর্শনার্থীর সংখ্যা আরও বাড়বে। নানা সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও শেষ মুহূর্তের ডিসকাউন্টে ৩০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা এখন নতুন প্রাণ ফিরে পেয়েছে।
জেএইচআর