ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

বরগুনার তালতলীতে নারীকে রাতভর সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

বরগুনা প্রতিনিধি

বরগুনা প্রতিনিধি

ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৬, ০২:৪৫ পিএম

বরগুনার তালতলীতে নারীকে রাতভর সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ

বরগুনার তালতলীতে বিয়ের প্রলোভনে নিজ বাড়িতে এনে এক নারীকে চারজনে মিলে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।

বুধবার ভোরে স্থানীয় একটি মসজিদের পাশে আশ্রয় নিলে ফজরের নামাজ শেষে মুসল্লিরা ওই নারীকে দেখতে পান। পরে কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি উপস্থিত সবার সামনে রাতের ভয়াবহ ঘটনার বর্ণনা দেন। 

এর আগে গতকাল মঙ্গলবার রাতে উপজেলার পঁচাকোড়লিয়া ইউনিয়নের বড়পাড়া এলাকায় এই পাশবিক ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী নারী ও তাঁর পরিবার সূত্রে জানা যায় কমা প্রায় ২০ থেকে ২৫ দিন আগে তিনি পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর এলাকায় মাছ প্রক্রিয়াজাতকরণের কাজ করতেন। সেখানে তালতলী উপজেলার পঁচাকোড়লিয়া ইউনিয়নের মানিক হাওলাদারের ছেলে হিরুনের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। পরিচয়ের একপর্যায়ে হিরুন তাঁকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। বিশ্বাস অর্জনের জন্য হিরুন ভুক্তভোগী নারী ও তাঁর মাকে নিয়ে কুয়াকাটায় গিয়ে বিয়ের বিষয়ে আলোচনাও করেন।

পরিবারের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত বিয়ে সম্পন্ন করার আশ্বাস দিয়ে মঙ্গলবার বিকালে হিরুন ওই নারীকে মহিপুর থেকে তালতলীর বড়পাড়া এলাকায় নিয়ে আসেন। পরিবারের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার কথা বলে হিরুন তাঁকে নিজের বাড়িতে তোলেন। কিন্তু রাতের বেলা হিরুনসহ আরও তিন ব্যক্তি তাঁকে মৃত্যুর হুমকি দিয়ে জোরপূর্বক একাধিকবার ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী। গভীর রাতে অভিযুক্তরা একযোগে ঘর থেকে বের হলে সেই সুযোগে তিনি পালিয়ে পাশের একটি মসজিদের পাশে আশ্রয় নেন।

ভুক্তভোগী নারী বলেন কমা পরিচয়ের পর বিয়ের কথা বলে আমাকে এখানে নিয়ে আসা হয়। রাতে চারজন মিলে আমার সঙ্গে পাশবিক আচরণ করেছে কমা আমি এই অন্যায়ের বিচার চাই। এ বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় চরম ক্ষোভ ও চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। স্থানীয় একাধিক এলাকাবাসী অভিযোগ করেন কমা অভিযুক্ত হিরুন দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন স্থান থেকে নারীদের বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে বাড়িতে এনে নির্যাতন করে আসছেন। কেউ প্রতিবাদ করলে তাঁকে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর হুমকি দেওয়া হয়।

স্থানীয় মুসল্লি ফারুক জানান কমা ফজরের নামাজ শেষে বের হয়ে দেখি এক নারী মসজিদের পাশে বসে কাঁদছেন। জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান কমা হিরুন নামের এক ব্যক্তি তাঁকে এখানে এনে চারজন মিলে সারারাত ধর্ষণ করেছে। পরে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়।

তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আশাদুর রহমান বলেন কমা খবর পাওয়ার পর দ্রুত ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করে থানায় আনা হয়েছে এবং তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে মামলা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। এই ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের বিশেষ অভিযান শুরু হয়েছে বলে জানান তিনি।

জেএইচআর

Link copied!