ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

দিনাজপুরে একদিকে বাম্পার ফলনের আশা, অন্যদিকে সার নিয়ে চলছে চরম লুকোচুরি

দিনাজপুর প্রতিনিধি

দিনাজপুর প্রতিনিধি

মার্চ ৭, ২০২৬, ০৩:৩৪ পিএম

দিনাজপুরে একদিকে বাম্পার ফলনের আশা, অন্যদিকে সার নিয়ে চলছে চরম লুকোচুরি

উত্তরের শস্যভাণ্ডারখ্যাত দিনাজপুরে সরিষা ও আলু উত্তোলনের পর এখন মাঠজুড়ে চলছে ইরি বোরো ধান রোপণের মহোৎসব। তবে কৃষকের এই ব্যস্ততার মাঝে বিষাদের সুর হয়ে দাঁড়িয়েছে সারের তীব্র সংকট, বিদ্যুতের লোডশেডিং এবং সেচ পাম্পের মালিকানা নিয়ে জটিলতা। একদিকে বাম্পার ফলনের আশা, অন্যদিকে অসাধু ডিলারদের সিন্ডিকেট, সব মিলিয়ে মাঠের লড়াইয়ে বিপর্যস্ত উত্তরের কৃষকরা।

দিনাজপুর কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, চলতি মৌসুমে জেলায় ১ লাখ ৭৬ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হলে প্রায় ৭ লাখ ৭৫ হাজার মেট্রিক টন চাল উৎপাদন সম্ভব। কিন্তু বাস্তবতা যেন পরিসংখ্যানের উল্টো পিঠ। সদর উপজেলাসহ ১৩টি উপজেলায় চলছে চারা রোপণের ধুম। বিশেষ করে ব্রি ৯০ জাতের চিকন ধানের প্রতি কৃষকদের আগ্রহ এবার তুঙ্গে। জেলায় ৩০৪ জন ডিলার থাকলেও কৃষকের অভিযোগ যে চাহিদার তুলনায় সার মিলছে না। ১০ বস্তার প্রয়োজনে মিলছে মাত্র ১ থেকে ২ বস্তা।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি চিরিরবন্দরে নিয়ম ভেঙে অন্য উপজেলায় পাচারের সময় ৮৩ বস্তা সার আটক করা হয়। এর আগে ২২ ফেব্রুয়ারি সদর উপজেলার কমলপুর বাজারে সার না পেয়ে ডিলারের অফিস ঘেরাও করেন কয়েকশ বিক্ষুব্ধ কৃষক। কৃষকদের অভিযোগ হলো ডিলাররা কৃত্রিম সংকট তৈরি করে খোলা বাজারে চড়া দামে সার বিক্রি করছেন। সার সংকটের সাথে যোগ হয়েছে বিদ্যুতের লোডশেডিং। ফলে রাত জেগে সেচ দিতে হচ্ছে কৃষকদের। 

চরম ভোগান্তি দেখা দিয়েছে ফুলবাড়ীতেও, সেখানে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন প্রকল্পের ৬টি গভীর নলকূপ মালিকানা জটিলতায় বন্ধ হয়ে আছে। পানির অভাবে জমি ফেটে চৌচির হওয়ায় কৃষকেরা রাজপথে নেমে মানববন্ধন করতে বাধ্য হয়েছেন। ভুক্তভোগী কৃষকরা ক্ষোভের সাথে জানান যে আমরা ধান লাগাবো নাকি সারের পেছনে দৌড়াবো। চারা শুকিয়ে যাচ্ছে কিন্তু ডিলার বলছে সার নেই, অথচ বাইরে বেশি দামে সব পাওয়া যাচ্ছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক বা শস্য মো. আনিছুজ্জামান জানান যে বিদ্যমান সমস্যাগুলো সমাধানের চেষ্টা চলছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং বীজতলা ভালো হওয়ায় লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

জেএইচআর

Link copied!