ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

নাগরপুর এলজিইডির উপ-সহকারী প্রকৌশলী শহিদুল বদলি, দুর্নীতি-অনিয়মের অভিযোগ

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

নাগরপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

মার্চ ১৫, ২০২৬, ১২:০৮ পিএম

নাগরপুর এলজিইডির উপ-সহকারী প্রকৌশলী শহিদুল বদলি, দুর্নীতি-অনিয়মের অভিযোগ

টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. শহিদুল ইসলাম খানকে বদলি করা হয়েছে। সম্প্রতি তাকে লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলায় পদায়ন করা হয়েছে। এলজিইডি সদর দপ্তর থেকে গত ৯ মার্চ জারি করা এক অফিস আদেশে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়। তার বদলির খবর ছড়িয়ে পড়ার পর নাগরপুরে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নাগরপুরে দায়িত্ব পালনকালে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পে অনিয়ম ও কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগ ছিল তার বিরুদ্ধে। একাধিক ঠিকাদার নাম প্রকাশ না করার শর্তে অভিযোগ করেন, কোনো কাজের বিল অনুমোদন বা ফাইল ছাড় করতে হলে নির্দিষ্ট পরিমাণ কমিশন দিতে হতো। কমিশন না দিলে তিনি দীর্ঘদিন ফাইল আটকে রাখা বা নানা অজুহাতে হয়রানি করতেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।

এ ছাড়া অভিযোগ রয়েছে, বিভিন্ন সময় মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে কাজ সম্পূর্ণ না হলেও তিনি বিল উত্তোলনের সুযোগ করে দিতেন। ফলে অনেক প্রকল্পের কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এবং সরকারি অর্থের অপচয়ের অভিযোগও সামনে এসেছে বলে দাবি সংশ্লিষ্টদের।

পেশাগত অনিয়মের পাশাপাশি তার বিরুদ্ধে মাদক সেবন, জুয়া খেলা এবং অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগও স্থানীয়ভাবে ব্যাপকভাবে আলোচিত ছিল। স্থানীয়দের দাবি, এসব কর্মকাণ্ডের কারণে এলজিইডি দপ্তরের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ হয়েছে।

এলজিইডির তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (প্রশাসন) মো. ওয়াহিদুজ্জামান স্বাক্ষরিত অফিস আদেশ (স্মারক নং–১৬৯৬) অনুযায়ী, তাকে অবিলম্বে বর্তমান কর্মস্থল থেকে ছাড়পত্র গ্রহণ করে ১০ মার্চের মধ্যে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে নাগরপুর উপজেলা প্রকৌশলী (এলজিইডি) কর্মকর্তা মো. তোরাপ আলী মুঠোফোনে জানান, “বদলি একটি নিয়মিত প্রশাসনিক প্রক্রিয়া। তবে ঠিকাদারদের পক্ষ থেকে ওঠা অভিযোগসহ বিভিন্ন বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। তদন্তে অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এদিকে শহিদুল ইসলামের বদলির খবরে স্থানীয় ঠিকাদার ও সচেতন মহলের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তাদের দাবি, শুধু বদলি নয় তার দায়িত্বকালীন সময়ে বাস্তবায়িত বিভিন্ন প্রকল্পের কাজের মান ও আর্থিক লেনদেনের নিরপেক্ষ অডিট করে অভিযোগ প্রমাণিত হলে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন।

এ বিষয়ে জানতে উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো. শহিদুল ইসলাম খানের সঙ্গে একাধিকবার মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। তার ব্যবহৃত মুঠোফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। ফলে এ বিষয়ে তার কোনো বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।

এএন

Link copied!