ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

মাগুরায় জ্বালানি তেল সরবরাহে বৈষম্য, একই মালিকের একাধিক পাম্পে অনিয়মের অভিযোগ

মিরাজ আহমেদ, মাগুরা

মিরাজ আহমেদ, মাগুরা

মার্চ ২৮, ২০২৬, ০৯:৪৭ পিএম

মাগুরায় জ্বালানি তেল সরবরাহে বৈষম্য, একই মালিকের একাধিক পাম্পে অনিয়মের অভিযোগ

মাগুরা জেলায় জ্বালানি তেলের দৈনিক সরবরাহ ও বিক্রয় প্রতিবেদনে একাধিক ফিলিং স্টেশনের নাম উঠে এসেছে, যেখানে কোথাও উল্লেখযোগ্য পরিমাণ তেল সরবরাহ ও বিক্রি হলেও অনেক স্টেশনেই দিনভর শূন্য লেনদেন দেখা গেছে। এতে সরবরাহ ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে এবং একই মালিকানার একাধিক পাম্প ঘিরে বাইরে তেল পাচারের অভিযোগও সামনে আসছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র অনুযায়ী, মাগুরা সদর উপজেলায় মেসার্স মা ফিলিং স্টেশন, মেসার্স মা ফাতেমা ফিলিং স্টেশন, মেসার্স মাগুরা ফিলিং স্টেশন, মেসার্স সাইফ ফিলিং স্টেশন, এমএসপি ফিলিং স্টেশন, আরাফাত ফিলিং স্টেশন এবং মেসার্স নওয়ার ফিলিং স্টেশন-এ তেল সরবরাহ ও বিক্রির ভিন্নতা লক্ষ্য করা গেছে। এর মধ্যে কিছু স্টেশনে হাজার লিটারের বেশি তেল উত্তোলন ও বিক্রি হলেও কয়েকটি স্টেশন পুরো দিনই শূন্য অবস্থায় ছিল।

একইভাবে, মাগুরা এলপি গ্যাস স্টেশন এন্ড কনভার্সন, মেসার্স মনির এন্টারপ্রাইজ এবং সালেহ এলপি জি স্টেশন-এ “গ্যাস বিক্রি করেন না” উল্লেখ থাকায় সেবার সীমাবদ্ধতা স্পষ্ট হয়েছে।

শ্রীপুর উপজেলায় মোঘলা ফিলিং স্টেশন এবং শালিখা উপজেলায় সাথিয়া ফিলিং স্টেশন ও এসবি ফিলিং স্টেশন-এ দিনভর কোনো তেল উত্তোলন বা বিক্রির তথ্য পাওয়া যায়নি। মহম্মদপুর উপজেলার একটি ফিলিং স্টেশন-এ আংশিক কার্যক্রম চললেও সরবরাহ স্বাভাবিক ছিল না।

রিপোর্টের সারসংক্ষেপ অনুযায়ী, জেলায় মোট প্রায় ১৭,৮০০ লিটার ডিজেল, ৮,৬৮০ লিটার পেট্রোল এবং ৬,৮৭২ লিটার অকটেন সরবরাহ করা হয়েছে। তবে এই সরবরাহ সব পাম্পে সমানভাবে বিতরণ হয়নি।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, একই মালিকানার অধীনে একাধিক ফিলিং স্টেশন পরিচালিত হওয়ায় নির্দিষ্ট কিছু পাম্পে বেশি তেল সরবরাহ করে অন্য পাম্পগুলোতে কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হচ্ছে। অভিযোগ রয়েছে, অতিরিক্ত মজুদ তেল গোপনে জেলার বাইরে পাচার বা অবৈধভাবে বিক্রি করা হচ্ছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পাম্প মালিকদের পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

জ্বালানি বিশেষজ্ঞদের মতে, সরবরাহ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও নিয়মিত মনিটরিং নিশ্চিত না হলে এ ধরনের বৈষম্য ও অনিয়ম বন্ধ করা কঠিন হবে। তারা দ্রুত প্রশাসনিক তদারকি জোরদার এবং সমান বণ্টন নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

এএন

Link copied!