ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

মোহনগঞ্জে চাঁদার দাবিতে হামলা, আটক ১

মোহনগঞ্জ (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি

মোহনগঞ্জ (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি

এপ্রিল ৪, ২০২৬, ০২:৫৯ পিএম

মোহনগঞ্জে চাঁদার দাবিতে হামলা, আটক ১

নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ পৌরশহরে ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল স্ট্যান্ডে চাঁদার দাবিতে একদল ব্যক্তি হামলা চালিয়েছে। এতে কয়েকজন চালক আহত হয়েছেন।

এক পর্যায়ে মোটরসাইকেল চালকরা মিলে শফিক মিয়া (৫০) নামে এক চাঁদাবাজকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছেন। এ সময় অন্যরা পালিয়ে যায়।

গতকাল শুক্রবার বিকেল চারটার দিকে পৌরশহরের শিয়ালজানি খালের সেতুর ওপর মোটরসাইকেল স্ট্যান্ডে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মোটরসাইকেল চালক তোফাজ্জল মিয়া বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ করেছেন। এতে শফিক মিয়া (৫০), তার ছেলে আনিছ মিয়া (২২)সহ অজ্ঞাতনামা ১০–১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

শনিবার মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান হারুন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আটক শফিক মিয়া উপজেলার নাগডরা (ছয়ানি) গ্রামের মৃত আব্দুল বারেকের ছেলে। তবে বর্তমানে তিনি বারহাট্টা উপজেলার আলোকদিয়া গ্রামে বসবাস করেন।

অভিযোগ ও মোটরসাইকেল চালকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, পৌরশহরের হাট মোহনগঞ্জ এলাকায় শিয়ালজানি খালের সেতুর ওপর একটি মোটরসাইকেল স্ট্যান্ড রয়েছে। সেখানে শতাধিক মোটরসাইকেল রয়েছে। মোহনগঞ্জ শহর থেকে গাগলাজুর বাজার পর্যন্ত যাত্রী নিয়ে ভাড়ায় চলাচল করেন এসব চালক। গত বৃহস্পতিবার রাতে শফিক মিয়া কয়েকজনকে নিয়ে দেশীয় অস্ত্রসহ স্ট্যান্ডে গিয়ে চাঁদা দাবি করেন। প্রতি মোটরসাইকেল চালকের কাছে পাঁচ হাজার টাকা করে চাঁদা দাবি করা হয়। চাঁদা না দিলে হত্যা করে লাশ গুম করার হুমকিও দেওয়া হয়।

এ সময় চালকরা প্রতিবাদ করলে তাদের ওপর হামলা চালানো হয়, এতে কয়েকজন আহত হন। পরদিন শুক্রবার বিকেলে আবারও একই স্থানে এসে শফিক ও তার ছেলে আনিছসহ অন্যরা চাঁদা দাবি করলে চালকরা অস্বীকৃতি জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে অভিযুক্তরা তাদের মারধর করে।

একপর্যায়ে চালকরা স্থানীয়দের সহযোগিতায় প্রধান অভিযুক্ত শফিক মিয়াকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে অন্য আসামিরা পালিয়ে যায়। আহত চালক তোফাজ্জল মিয়াকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।

পরে রাতেই তোফাজ্জল মিয়া বাদী হয়ে থানায় অভিযোগ করেন। এতে শফিক মিয়া ও তার ছেলে আনিছ মিয়াসহ অজ্ঞাত ১০–১৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী তোফাজ্জল মিয়া বলেন, “এই স্ট্যান্ডে শতাধিক মোটরসাইকেল চালক রয়েছি। আমরা মোহনগঞ্জ-গাগলাজুর সড়কে ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করি। পরিবারের ভরণপোষণ ও সন্তানদের লেখাপড়ার খরচ এই আয়ের ওপর নির্ভর করে। জনপ্রতি পাঁচ হাজার টাকা করে চাঁদা দেওয়া আমাদের পক্ষে সম্ভব নয়।”

মোহনগঞ্জ থানার ওসি হাফিজুর রহমান হারুন বলেন, অভিযুক্ত শফিক মিয়া থানায় আটক রয়েছেন। এ ঘটনায় মামলা গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। পলাতক অন্য আসামিদের খুঁজে বের করে গ্রেপ্তার করা হবে।

এএন

Link copied!