ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬
জেলা প্রশাসন

প্রধানমন্ত্রী প্রকৃত কৃষকের হাতেই কৃষক কার্ড দিয়েছেন

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি

এপ্রিল ১৬, ২০২৬, ০৯:৩৪ পিএম

প্রধানমন্ত্রী প্রকৃত কৃষকের হাতেই কৃষক কার্ড দিয়েছেন

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রান্তিক পর্যায়ের প্রকৃত কৃষক কবির হোসেনের হাতেই কৃষক কার্ড তুলে দিয়েছেন। মঙ্গলবার দুপুরে প্রধানমন্ত্রী শহিদ মারুফ স্টেডিয়ামে সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের উত্তর তারটিয়া এলাকার কৃষক কবির হোসেনের হাতে কৃষক কার্ড তুলে দেওয়ার পর ছবিটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে মুহূর্তে ছড়িয়ে পড়ে।

এরপর থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় ওঠে। বিষয়টি কর্তৃপক্ষের নজরে আসায় কৃষি অধিদপ্তরসহ জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কবির হোসেনের বাড়ি পরিদর্শন করেছেন।

সরেজমিনে দেখা যায়, কবির হোসেন তার বাড়ির উঠানে ঘরের সামনে ডাঁটা ও পাটশাকের চাষ করেছেন। এছাড়াও মাঠে বোরো ধান চাষ করেছেন। গোয়াল ঘরে তার তিনটি গরুও বাঁধা রয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, সদর উপজেলার উত্তর তারটিয়া গ্রামের মৃত আবু সাঈদ মিয়ার ছেলে কবির হোসেনের নিজস্ব জমি রয়েছে প্রায় ১৩ শতাংশ। পাশাপাশি তিনি দীর্ঘদিন ধরে অন্যের জমি বর্গা নিয়ে কৃষিকাজ করে আসছেন। স্থানীয়দের কাছে তিনি এলাকায় একজন কৃষক হিসেবেই পরিচিত। তবে তিনি কৃষিকাজের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কন্টেন্ট তৈরি করে আয় করার বিষয়টি সামনে আসার পর বিতর্কের সৃষ্টি হয়। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, কৃষক কার্ডের সুবিধা কি কেবলমাত্র পেশাদার কৃষকরাই পাচ্ছেন, নাকি অন্য পেশার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরাও এর আওতায় চলে আসছেন।

স্থানীয়রা জানান, কবির কৃষিকাজ করলেও তিনি নিয়মিত কন্টেন্ট তৈরি করেন। এ কারণে কৃষক কার্ড প্রদানের ক্ষেত্রে যথাযথ যাচাই-বাছাই হয়েছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

স্থানীয় সংবাদকর্মী মো. রবিন তালুকদার বলেন, কবিরকে কৃষক কার্ড দেওয়ার আগে কয়েক দফা বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা থেকে তদন্ত করা হয়েছে। তিনি প্রকৃত কৃষক বলেই প্রধানমন্ত্রী তার হাতে কৃষক কার্ড তুলে দিয়েছেন।

স্থানীয় মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মনিরুজ্জামান বলেন, কবির হোসেন প্রকৃত কৃষক। বর্তমান সময়ে তথ্য যাচাই-বাছাই না করে গুজবে কান দিয়ে বর্তমান সরকারের মানহানি করা হচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে তথ্য প্রচারের ক্ষেত্রে আরও সচেতন হতে হবে।

স্থানীয় কয়েকজন কৃষকের দাবি, কবির যেহেতু বর্গাচাষ করেন এবং তার নিজস্ব জমিও রয়েছে, তাই তিনি কৃষক কার্ড পাওয়ার যোগ্য। কৃষিকাজই কবিরের মূল পেশা। তাকে নিয়ে অযথা বিতর্ক তৈরি করা হচ্ছে।

কৃষক কবির হোসেন বলেন, আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। বর্তমান সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে একটি কুচক্রী মহল এমন করছে। আমি একজন কৃষক। কৃষিকাজের পাশাপাশি কন্টেন্ট বানিয়ে কিছু অতিরিক্ত আয় করি।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আশেক পারভেজ জানান, নির্ধারিত নীতিমালা অনুসরণ করেই কৃষক কার্ড বিতরণ করা হয়েছে। তবে বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হওয়ায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো হবে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আব্দুর রহিম বলেন, আমরা সরেজমিনে পরিদর্শন করে দেখেছি। কবির প্রকৃতপক্ষে একজন কৃষক। তার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো সঠিক নয়।

এএন

Link copied!