আমার সংবাদ ডেস্ক
ফেব্রুয়ারি ৯, ২০২৬, ০৬:০৮ পিএম
মাদরাসাগুলোতে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে রমজানের ছুটি শুরু হলেও স্কুলগুলোতে ১৫ রমজান পর্যন্ত ক্লাস চালানোর সিদ্ধান্তে শিক্ষকদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। এই ছুটি সমন্বয়ের দাবিতে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) আবেদন করেছেন শিক্ষকদের একটি অংশ। সেই আবেদনের প্রেক্ষিতে স্কুলগুলোতেও ছুটির সুখবর আসতে পারে।
রোববার নিশ্চিত করেছেন যে, শিক্ষকদের করা আবেদনটি ইতিমধ্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। মন্ত্রণালয় ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নিলে স্কুলগুলোতেও রমজানের শুরু থেকে ছুটি কার্যকর হতে পারে। ডি-নথির মাধ্যমে এই সুপারিশ মন্ত্রণালয়ে ফরোয়ার্ড করা হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মতে, মাধ্যমিকের অনেক শিক্ষার্থী রোজা রাখে এবং নামাজ পড়ে। তাই রোজা রেখে ক্লাস করা এবং তারাবি আদায় করা শিক্ষক ও শিক্ষার্থী উভয়ের জন্যই কষ্টকর। এই মানবিক দিক বিবেচনা করেই ছুটির তালিকা পুনর্মূল্যায়নের জন্য মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে।
জানা গেছে, এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের আবেদনের প্রেক্ষিতে এই উদ্যোগ নিয়েছে অধিদপ্তর। এর আগে গত ২৮ ডিসেম্বর প্রকাশিত বার্ষিক ছুটির তালিকায় ৫ মার্চ পর্যন্ত স্কুল খোলা রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল। শিক্ষকরা বলছেন, আগের বছরগুলোতে রমজানে স্কুল বন্ধ থাকায় এবারও তাঁরা একই সিদ্ধান্ত আশা করছেন।
উল্লেখ করা হয়, সাপ্তাহিক ছুটির কয়েক দিনকে বার্ষিক ছুটির তালিকায় গণনা করায় শিক্ষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন। বিশেষ করে পবিত্র মাসে ধর্মীয় ইবাদত পালনের সুবিধার্থে দ্রুত এই ছুটি সমন্বয়ের দাবি জানানো হয়েছে। এখন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্তের দিকেই তাকিয়ে আছেন সারা দেশের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।
জেএইচআর