নিজস্ব প্রতিবেদক
ডিসেম্বর ২৫, ২০২৫, ০৪:১৩ পিএম
দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘটিয়ে আজ বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দুপুরে প্রিয় মাতৃভূমিতে পা রাখলেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তার সঙ্গে সফরসঙ্গী হিসেবে দেশে ফিরেছেন স্ত্রী ডা. জোবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমান।
তাদের বহনকারী বিমানটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার পর থেকেই রাজধানীজুড়ে এক অভূতপূর্ব উৎসবমুখর ও আবেগঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
তারেক রহমানের এই ঐতিহাসিক প্রত্যাবর্তন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে প্রচার করা হয়েছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি একে ‘রাজকীয় প্রবেশ’ হিসেবে আখ্যা দিয়ে জানিয়েছে, তাকে স্বাগত জানাতে ঢাকার রাস্তায় লাখ লাখ মানুষের ঢল নেমেছে।
প্রতিবেদনে তাকে আসন্ন জাতীয় নির্বাচনের অন্যতম প্রধান প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হিসেবেও উল্লেখ করা হয়েছে। একইভাবে আনন্দবাজার পত্রিকা ১৭ বছর আগে ওয়ান ইলেভেনের প্রেক্ষাপটে তার দেশত্যাগের ঘটনাক্রম স্মরণ করে বিশেষ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
এছাড়া হিন্দুস্তান টাইমস ও টাইমস নাও তাদের খবরে জানিয়েছে, বিমানবন্দর থেকে সরাসরি পূর্বাচলের ‘৩০০ ফিট’ এলাকায় আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় যোগ দেবেন তারেক রহমান। এমনকি দেশে ফেরার পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গেও তাঁর কথা হয়েছে বলে জানা গেছে।
এদিন তারেক রহমানকে বরণ করতে বিমানবন্দর থেকে পুরো কুড়িল-বিশ্বরোড এলাকা জনসমুদ্রে পরিণত হয়। নেতাকর্মীদের গগণবিদারী স্লোগান আর বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাসে ঢাকার রাজপথ যেন নতুন প্রাণ ফিরে পায়।
২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর চিকিৎসার জন্য যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমানোর দীর্ঘ ১ যুগ ৫ মাস পর তাঁর এই ফিরে আসা দেশের রাজনীতিতে এক বড় ধরনের মোড় হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় সংসদ নির্বাচনের আগে তার এই উপস্থিতি মাঠপর্যায়ের রাজনীতিতে বিশাল প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
ইএইচ