ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

আপিলের সুযোগ কি আছে হাসিনা-কামালের? আইন যা বলছে

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিজস্ব প্রতিবেদক

নভেম্বর ১৭, ২০২৫, ০৭:১৭ পিএম

আপিলের সুযোগ কি আছে হাসিনা-কামালের? আইন যা বলছে

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল আপিল করতে পারবেন কি না এ নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন আলোচনা।

জুলাই আন্দোলনের সময় ভয়াবহ হত্যাকাণ্ড সংঘটনের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–১ এ সোমবার সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেন। 

রাজসাক্ষী হিসেবে তথ্যে সহায়তা করায় সাবেক আইজিপি চৌধুরী মামুনকে দেওয়া হয়েছে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড।

রায় ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গে উঠেছে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন দণ্ডপ্রাপ্ত হাসিনা ও কামাল কি রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করতে পারবেন?

দুই দণ্ডপ্রাপ্তই বর্তমানে দেশের বাইরে পলাতক। আইন বিশেষজ্ঞদের ভাষ্য অনুযায়ী, পলাতক থাকা অবস্থায় কোনোভাবেই আপিল করা যায় না।

ট্রাইব্যুনালের আইনে স্পষ্টভাবে বলা আছে, রায় ঘোষণার ৩০ দিনের মধ্যে আপিল দাখিল করতে হবে। কিন্তু আপিল করতে হলে আসামিকে আত্মসমর্পণ করতে হবে অথবা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হতে হবে।

এই দুই শর্তের কোনোটিই পূরণ না হলে আপিলের আইনগত সুযোগ থাকে না।

একজন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জানান, আইনের দৃষ্টিতে পলাতক আসামি বিচারকের সামনে হাজির না হওয়া পর্যন্ত আপিল করার অধিকার প্রয়োগ করতে পারেন না। দেশে ফিরে আত্মসমর্পণ করলেই কেবল আপিলের দরজা খুলবে।

রায়ের পরপরই বাংলাদেশ সরকার ভারতকে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুরোধ জানিয়েছে পলাতক দুইজনকে ‘চুক্তি অনুযায়ী’ ফেরত পাঠাতে। দিল্লির উদ্দেশে চিঠি পাঠানোর প্রস্তুতি নিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

অন্যদিকে নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ এই রায়কে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে প্রত্যাখ্যান করেছে।

রাষ্ট্রপক্ষ চাইলে ৩০ দিনের মধ্যেই মামলাটি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে নিতে পারবে এটিও ট্রাইব্যুনাল আইনে নির্দিষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে। অর্থাৎ, আসামির অনুপস্থিতিতেও রাষ্ট্রপক্ষের আপিলের সুযোগ খোলা থাকে।

সোমবার ৪৫৩ পৃষ্ঠার রায় পড়ার সময় আদালত জানায়, অভিযোগ–২ প্রমাণিত হওয়ায় শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে, অভিযোগ–১ এর জন্য আমৃত্যু কারাদণ্ড। আসাদুজ্জামান খান কামালের মৃত্যুদণ্ড ও চৌধুরী মামুন রাজসাক্ষী হওয়ায় ৫ বছরের কারাদণ্ড।

ইএইচ

Link copied!