মাগুরা জেলা জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের (ডিপিএইচই) বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম নিয়ে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এতে সরকারি উন্নয়ন কার্যক্রম বাস্তবে কতটা কার্যকর হচ্ছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
সংশ্লিষ্ট নথি, ঠিকাদার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সামপ্রতিক বছরগুলোতে পানি ও স্যানিটেশন খাতে নেয়া একাধিক প্রকল্পে প্রতিযোগিতামূলক টেন্ডার প্রক্রিয়া বাধাগ্রস্ত হয়েছে।
অভিযোগ রয়েছে, টেন্ডারের শর্ত নির্ধারণ, সময়সীমা নির্ধারণ এবং তথ্য সরবরাহের ক্ষেত্রে এমন কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করা হয়েছে, যাতে নির্দিষ্ট একটি গোষ্ঠী সুবিধা পায়। ফলে কাগজে উন্মুক্ত টেন্ডার থাকলেও বাস্তবে প্রতিযোগিতা সীমিত হয়ে পড়েছে। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে এ সংক্রান্ত অভিযোগ তদন্তে খুলনা সার্কেল থেকে একটি কমিটি গঠন করা হয়।
তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, তদন্তে কিছু অসঙ্গতি ধরা পড়লেও তার পরিপ্রেক্ষিতে দৃশ্যমান কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। এতে জবাবদিহির প্রশ্ন আরও জোরালো হয়েছে।
ঠিকাদার রুবেল হোসেন অভিযোগ করেন, বিল পাসের ক্ষেত্রে অনানুষ্ঠানিক চাপ থাকে। নির্দিষ্ট হারে কমিশন না দিলে বিল বিলম্বিত হয় বা আটকে রাখা হয়। স্থানীয় বাসিন্দা শাহীন আলম বলেন, কাগজে উন্নয়ন অনেক, কিন্তু বাস্তবে তার প্রভাব আমরা পাচ্ছি না। নতুন করে বসানো নলকূপ থেকেও অনেক সময় ঠিকমতো পানি পাওয়া যায় না।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত নির্বাহী প্রকৌশলী আবু বকর সিদ্দিক বলেন, সব কাজ নিয়ম মেনেই করা হচ্ছে। যে অভিযোগগুলো উঠেছে, সেগুলো ভিত্তিহীন। কোনো অনিয়ম থাকলে তদন্তে তা প্রমাণিত হবে। খুলনা সার্কেলের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন দিয়েছে। বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন আছে। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ বিবেচনা করছে।
জেএইচআর
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন