বাবার ইমামতিতেই সম্পন্ন হলো গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার বোনারপাড়া ইউনিয়ন ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি সাইফুল্লাহ বারীর জানাজা।
সোমবার বিকেল ৩টায় বোনারপাড়া সরকারি কাজী আজহার আলী মডেল উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এই জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় ইমামতি করেন নিহত শিবির নেতার বাবা ও উপজেলা জামে মসজিদের ইমাম হাবিবুর রহমান।
জানাজার নামাজে সর্বস্তরের মানুষের পাশাপাশি রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ অংশ নেন। এর মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গাইবান্ধা-৫ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল ওয়ারেছ, জেলা জামায়াতের আমির ও সদর আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল করিম এবং গাইবান্ধা-৩ (সাদুল্লাপুর-পলাশবাড়ী) আসনের সংসদ সদস্য মাওলানা নজরুল ইসলাম লেবু।
এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন গাইবান্ধা জেলা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইউসুফ আল কারযাভী, ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় পাঠাগার সম্পাদক আরাফাত হোসেন মিলন, কেন্দ্রীয় ছাত্র কল্যাণ সম্পাদক রেজাউল করিম শাকিল, কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের সদস্য ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সভাপতি মুজাহিদ ফয়সাল, গাইবান্ধা জেলার সাবেক সভাপতি ফেরদৌস সরকার রুম্মান, সেক্রেটারি ফাহিম মন্ডল, সাঘাটা উপজেলা জামায়াতের আমির ইব্রাহিম, সেক্রেটারি আব্দুল ওয়ারেছ এবং উপজেলা শিবির সভাপতি সাজেদুর রহমান সাদা।
উল্লেখ্য, গতকাল রোববার (২১ জুন) বিকেলে বোনারপাড়া চারমাথা এলাকায় প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাত করে সাইফুল্লাহ বারীকে হত্যা করা হয়। পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বেলা পৌনে ৩টার দিকে বোনারপাড়া ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক মোখলেছুর রহমান মুকুল ও তাঁর সহযোগীরা সাইফুল্লাহর ওপর এই হামলা চালান।
এই ঘটনার পর গতকাল রাতেই জেলা যুবদলের এক বিজ্ঞপ্তিতে দলীয় নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট অভিযোগে মোখলেছুর রহমান মুকুলকে প্রাথমিক সদস্যপদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। এদিকে হত্যাকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়লে ক্ষুব্ধ স্থানীয় জনতা রাতেই যুবদল নেতা মুকুলের বাড়ি পুড়িয়ে দেয়। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে গতকাল রাতে রাজধানীতে এবং আজ সোমবার দুপুরে গাইবান্ধা জেলা ইসলামী ছাত্রশিবির বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে।
জেএইচআর
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন