ভারতের টুরিস্ট ভিসা চালু, জেনে নিন আবেদনের নিয়ম

আমার সংবাদ ডেস্ক প্রকাশিত: জুন ২৯, ২০২৬, ০১:১৮ পিএম
ভারতের টুরিস্ট ভিসা চালু, জেনে নিন আবেদনের নিয়ম

প্রায় দুই বছর বন্ধ থাকার পর বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য আবারও টুরিস্ট ভিসা চালু করেছে ভারত। রোববার (২৮ জুন) থেকে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট ও খুলনার ইন্ডিয়ান ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টারে (আইভ্যাক) এই ভিসার আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে।

ঢাকায় নিযুক্ত ভারতের নতুন হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী গত বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) জানান, টুরিস্ট ভিসার পাশাপাশি মানবিক কারণে মেডিক্যাল ভিসা দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে দেশের বাকি আইভ্যাক কেন্দ্রগুলোতেও এ সেবা চালু করা হবে, যাতে ভিসা কার্যক্রম পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়।

নতুন নিয়ম অনুযায়ী, আইভ্যাকে সশরীরে কাগজপত্র জমা দেওয়ার অন্তত একদিন আগে অনলাইনে অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুকিং করতে হবে। বর্তমানে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, সিলেট ও খুলনার পাঁচটি আইভ্যাকে টুরিস্ট ভিসার আবেদন গ্রহণ করা হচ্ছে।

আবেদনের প্রথম ধাপে ভারতীয় ভিসার নির্ধারিত ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদনপত্র পূরণ করতে হবে। আবেদন সম্পন্ন হলে সেটি পিডিএফ আকারে ডাউনলোড করে সংরক্ষণ করতে হবে।

পরবর্তী ধাপে ফাইল জমা দেওয়ার আগের দিন দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৪টা ৩০ মিনিটের মধ্যে আইভ্যাকের নির্ধারিত পোর্টালে নিবন্ধন করে আবেদনপত্রের পিডিএফ কপি আপলোড করতে হবে। তবে আপলোড করা আবেদনপত্র ৩০ দিনের বেশি পুরোনো হলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না। সম্পাদিত বা বিকৃত কোনো ফাইল আপলোড করলে আবেদন বাতিল হবে।

নিবন্ধনের সময় আবেদনপত্রে ব্যবহৃত ই-মেইল ঠিকানা দিতে হবে। এরপর ই-মেইল ও মোবাইল ফোনে পৃথক দুটি ওটিপি পাঠানো হবে। উভয় ওটিপি যাচাই করে নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে।

এরপর মোবাইল নম্বর ও পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করলে আবার একটি ওটিপি আসবে। সেটি দিয়ে প্রবেশ করে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আপলোড করতে হবে। সন্ধ্যা ৬টায় অ্যাপয়েন্টমেন্ট উন্মুক্ত হওয়ার পর পুনরায় লগইন করলে পরবর্তী দিনের নির্ধারিত সময় দেখাবে। প্রয়োজনে আবেদনকারী একবার সময় পরিবর্তনের সুযোগ পাবেন।

অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিশ্চিত হওয়ার পর অনলাইনে ১ হাজার ৫০০ টাকা প্রক্রিয়াকরণ ফি পরিশোধ করতে হবে। ভারত সরকার টুরিস্ট ভিসার জন্য কোনো ভিসা ফি নেয় না। তবে আইভ্যাকের এই প্রক্রিয়াকরণ ফি পরিশোধ বাধ্যতামূলক।

ভিসা আবেদনের সময় মূল পাসপোর্ট (কমপক্ষে ৬ মাস মেয়াদ ও অন্তত দুটি খালি পৃষ্ঠা), পাসপোর্টের প্রথম চার পাতার ফটোকপি, সব পুরোনো পাসপোর্ট, তিন মাসের মধ্যে তোলা ২×২ ইঞ্চি রঙিন ছবি, জাতীয় পরিচয়পত্র বা জন্ম নিবন্ধনের কপি, ছয় মাসের কম পুরোনো বিদ্যুৎ, গ্যাস বা পানির বিল, চাকরিজীবীদের জন্য এনওসি, শিক্ষার্থীদের পরিচয়পত্র, ব্যবসায়ীদের হালনাগাদ ট্রেড লাইসেন্স এবং আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ হিসেবে ১৫০ ডলার সমমূল্যের বৈদেশিক মুদ্রা এনডোর্সমেন্ট, আন্তর্জাতিক ক্রেডিট কার্ডের কপি অথবা পর্যাপ্ত স্থিতিসহ গত তিন মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্ট জমা দিতে হবে।

সব প্রক্রিয়া শেষ হলে আবেদনকারীর মোবাইলে খুদে বার্তার মাধ্যমে পাসপোর্ট সংগ্রহের তারিখ জানিয়ে দেওয়া হবে।

পরবর্তী থেকে আমি আপনার নির্দেশনা অনুযায়ী শুধু যেসব শব্দ মূল তথ্যে ইংরেজিতে থাকবে (যেমন IVAC, PDF, NID, OTP, Medical Visa), সেগুলোই ইংরেজিতে রাখব। বাকিগুলো বাংলা লিখব।

এম জি