কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে এক টেবিলে বসেছে ইসলামী আন্দোলন ও বিএনপিসহ সমমনা দলগুলো।
বুধবার (৭ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা রিপোর্টারস ইউনিটির নসরুল হামিদ মিলনায়তনে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ এ গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর রেজাউল করিম।
গোলটেবিল বৈঠকে খেলাফত মজলিসের আহ্বায়ক আহমেদ আব্দুল কাদির বলেন, ‘আমার স্বাধীনতা, আমাদের অধিকার সবকিছু আজ ভারতের হাতে বন্দি। এ সরকার ভারতের সহযোগিতা ও চীনের সমর্থনে টিকে আছে। আমরা দীর্ঘ সময় দেখে আসছি, বিদেশির নির্ভরতা বেশি।
তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যদি এ সরকারকে পতন করতে চাই, তাহলে এ জাতির জাগরণ তুলতে হবে। একটি আদর্শ রাষ্ট্র কায়েম করতে হলে, সব দলমত ভুলে এ স্বৈরাচার সরকারের বিরুদ্ধে গণ আন্দোলন গড়ে তুলে এ সরকারকে পতন করতে হবে।’
গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট বাবু সুব্রত চৌধুরী বলেন, ‘দেশের মানুষ যে আওয়ামী লীগের সঙ্গে নাই, সেটি গত ৭ জানুয়ারি প্রমাণ করে দিয়েছে। তাই এখন আন্দোলন প্রয়োজন। এ সরকার গত ২৮ অক্টোবর পাকিস্তানি হায়নার মত ১২ লাখ মানুষের সমাবেশ হামলা করে নসাৎ করে দিয়েছে।
রোহিঙ্গাদের দেশে ডুকিয়ে সরকার এক রকম ব্যবসা শুরু করেছে বলেও মন্তব্য করে তিনি বলেন, ডামি প্রধানমন্ত্রীর সোনার ছেলেরা জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্ষণের ঘটনা ঘটাচ্ছে। এ সোনার ছেলেরাই ধর্ষণে সেন্সুরি করেছে ছিলো।
নোয়াখালীর সুবর্ণচরে গণধর্ষণের রায়ের দিনে মা-মেয়েকে গণধর্ষণের ঘটনার কথা উল্লেখ করে গণফোরামের এ নেতা বলেন, তারা এখন শুধু আওয়ামী লীগ নয়, তারা এখন ধর্ষণ লীগ।
বিদ্রোহের জন্য প্রস্তুত আছেন বলে জানিয়ে, সুব্রত চৌধুরী বলেন, আপনারা আন্দোলনের ডাক দিন আমরা প্রস্তুত আছি।
গণ অধিকার পরিষদের একাংশের আহ্বায়ক মিয়া মশিউজ্জামান বলেন, পীর সাহেব চরমোনাই যে কল্যাণ রাষ্ট্রের কথা বলছেন, এ অবৈধ সরকারকে ক্ষমতায় রেখে সে কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। তাই এ সরকারকে ক্ষমতা থেকে সরাতে হলে গান্ধীর গণ আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। এ সরকারকে শুধু পতন করলে হবে না। ভারতের যে আধিপত্য রয়েছে সেটি নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। এ জন্য ভারতের পণ্য বর্জনের আহ্বান জানান তিনি।
বিস্তারিত আসছে....
নোমান/এআরএস
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন