শেরপুরে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নির্বাচনি ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহত জামায়াতে ইসলামীর শ্রীবর্দী উপজেলা সেক্রেটারি রেজাউল করিমের মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার রাতে শ্রীবর্দী উপজেলা জামায়াতের আমির মোহাম্মদ আজহারুল ইসলাম জানান, রাত ১০টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেজাউল করিম মারা গেছেন।
তিনি বলেন, ঝিনাইগাতীতে একটি অনুষ্ঠানে হামলায় আহত সেক্রেটারিকে গুরুতর আহত অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিকেলে নেওয়া হয়েছিল।
শেরপুর জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) কামরুল ইসলাম বলেন, মাথায় আঘাতপ্রাপ্ত অবস্থায় তাকে শেরপুর থেকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল। আমরা তার মৃত্যুর খবর শুনেছি।
নিহত রেজাউল ফতেহপুর ফাজিল মাদ্রাসার আরবি বিষয়ক প্রভাষক ছিলেন। ঝিনাইগাতীতে বিকেলের ঘটনায় হামলার জন্য একে অপরকে দায়ী করছে জামায়াত ও বিএনপি। নেতাকর্মী আহত হওয়ার প্রতিবাদে বুধবার রাতে শেরপুর শহরে বিক্ষোভ মিছিল বের করে জেলা জামায়াতে ইসলামী। এর ঘণ্টা কয়েক পর রেজাউলের মৃত্যুর খবর শেরপুরে পৌঁছায়।
এদিকে আহত জামায়াতের স্থানীয় এ নেতার মৃত্যুর পর ডাকসুর সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ সাংবাদিকদের কাছে পাঠানো এক বার্তায় অভিযোগ করেছেন, শেরপুর-৩ আসনে জামায়াতের থানা সেক্রেটারি রেজাউল করিমকে খুন করে দিয়েছে বিএনপির সন্ত্রাসীরা।
তিনি আরও বলেন, আজ বিকেলে সহকারী রিটার্নিং অফিসার কর্তৃক আয়োজিত ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানে দেরি করে এসে চেয়ারে বসাকে কেন্দ্র করে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে জামায়াত সমর্থকদের ওপর বিএনপি সন্ত্রাসীরা হামলা করে। এ ঘটনায় ৫০ জনের বেশি জামায়াত সমর্থক আহত হন। তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে রেজাউল করিম মারা যান।
এ ঘটনার প্রতিবাদে রাত সাড়ে ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি চত্বরে বিক্ষোভ মিছিলের কর্মসূচির ডাকও দেন তিনি।
ইএইচ
আমার সংবাদের সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিডটি অনুসরণ করুন