ড. মঈন খান

স্বাধীনতা যুদ্ধের দাবিদার আ. লীগ সেদিন পালিয়ে গিয়েছিল

আমার সংবাদ ডেস্ক প্রকাশিত: জুন ১, ২০২৬, ১০:০৬ পিএম
স্বাধীনতা যুদ্ধের দাবিদার আ. লীগ সেদিন পালিয়ে গিয়েছিল

স্বাধীনতা যুদ্ধের দাবিদার আওয়ামী লীগ সেদিন পালিয়ে গিয়েছিল, তারা কিন্তু যুদ্ধে নামেনি। পরবর্তীতে তারা বারবার পালিয়ে গিয়েছে এবং সর্বশেষ ২০২৪ সালেও তারা একইভাবে পালিয়ে গিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান।

সোমবার বিকেলে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষে পলাশ উপজেলা ও ঘোড়াশাল পৌর বিএনপি আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ড. মঈন খান বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান শুধু বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষকই নন, তিনি সম্মুখ সমরে বীরত্বের সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধ করেছেন। সেই সঠিক ইতিহাস বাংলাদেশের মানুষ তথা নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া আমাদের দায়িত্ব। ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের পূর্ববর্তী ১৭ বছর ফ্যাসিবাদী সরকার এদেশের স্কুল-কলেজের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মিথ্যা ইতিহাস শিখিয়েছে। স্কুলের ছেলে-মেয়েরা লেখাপড়া ও জ্ঞান-বিজ্ঞান শিখবে, ভ্রান্ত রাজনীতি শেখার জন্য তারা স্কুলে যায় না।

তিনি আরও বলেন, বিগত ১৭ বছরে আওয়ামী লীগ লুটপাট করে এদেশের অর্থ বিদেশে পাচার করে অর্থনীতিকে ভঙ্গুর করে দিয়েছে। এই দলটিই ১৯৭২ থেকে ১৯৭৫ সালেও দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংস করে দেশকে তলাবিহীন ঝুড়িতে পরিণত করেছিল। পরবর্তীতে জিয়াউর রহমান সেই ভঙ্গুর অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধার করে শূন্য ঝুড়িকে পূর্ণ ঝুড়িতে রূপান্তর করেছিলেন।

নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নিজের পরিবার-পরিজনকে ফেলে রেখে দেশ ও জনগণের স্বার্থে মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছিলেন। তিনি শুধু এদেশের প্রেসিডেন্ট ছিলেন না, ছিলেন বাংলার রাখাল রাজা। তাঁর রাজনীতি ছিল পরিচ্ছন্ন, শৃঙ্খলা ও দেশপ্রেমের রাজনীতি। আজকে আমরা যে খাদ্য নিরাপত্তার কথা বলি, তিনি আজ থেকে ৫০ বছর আগেই প্রতিটি ইউনিয়নে খাদ্য গুদাম নির্মাণ করে সেই নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছিলেন।

পলাশ উপজেলা মাল্টিপারপাস অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এই সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুস সাত্তার। সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বাহাউদ্দীন ভূঁইয়া মিল্টন, ঘোড়াশাল পৌর বিএনপির সভাপতি আলম মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন, পলাশ উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি আল আমিন ভূঁইয়া এবং পলাশ উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক নাজমুল হোসেন সোহেলসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

জেএইচআর