ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

উৎসবের আমেজে শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হলো বৈশাখী শোভাযাত্রা

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

এপ্রিল ১৪, ২০২৬, ১১:১৭ এএম

উৎসবের আমেজে শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হলো বৈশাখী শোভাযাত্রা

বর্ণাঢ্য আয়োজন ও উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়েছে ১৪৩৩ বঙ্গাব্দের বৈশাখী শোভাযাত্রা। মঙ্গলবার সকাল ৯টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদ প্রাঙ্গণ থেকে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে শুরু হয় এ বর্ণিল আয়োজন।

শোভাযাত্রাটি চারুকলা অনুষদ থেকে শুরু হয়ে শাহবাগ, দোয়েল চত্বর ও বেগম রোকেয়া হল এলাকা প্রদক্ষিণ করে পুনরায় চারুকলায় এসে শেষ হয়। পুরো পথজুড়ে ছিল রঙ, ঢাক-ঢোল আর লোকজ সংস্কৃতির প্রাণচাঞ্চল্য।

এ আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম, উপ-উপাচার্য সায়মা হক বিদিশা ও আব্দুস সালাম, পাশাপাশি বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও উপ-উপাচার্য, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, শিক্ষক, শিক্ষার্থী এবং বিদেশি কূটনৈতিক প্রতিনিধিরা। নগরবাসীর অংশগ্রহণেও শোভাযাত্রা হয়ে ওঠে জনসমুদ্রে পরিণত।

ইউনেস্কো স্বীকৃত এই সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে অংশ নিতে সকাল থেকেই চারুকলা এলাকায় ভিড় করেন নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। অনেকে সাদা-লাল ঐতিহ্যবাহী পোশাকে সেজে উৎসবে যোগ দেন।

শোভাযাত্রার শুরুতে অংশ নেয় মহানগর পুলিশের ১০টি ঘোড়সওয়ার দল। এরপর প্রায় ২০০ শিক্ষার্থী জাতীয় পতাকা বহন করে অগ্রভাগে নেতৃত্ব দেন। ধাপে ধাপে যুক্ত হন বিভিন্ন হলের শিক্ষক, প্রাধ্যক্ষ, সাংস্কৃতিক সংগঠনের সদস্য এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তারা।

এবারের শোভাযাত্রার অন্যতম আকর্ষণ ছিল পাঁচটি প্রধান প্রতীকী মোটিফ মোরগ, বেহালা, শান্তির পায়রা, হাতি ও ঘোড়া। প্রায় ৪০ জন শিল্পীর বাদ্যযন্ত্র পরিবেশনা এবং ১৫০ ফুট দীর্ঘ পটচিত্র পুরো আয়োজনকে দেয় ভিন্ন মাত্রা।

এছাড়া দেশের ১০টি ভিন্ন জাতিগোষ্ঠীর প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ এবারের শোভাযাত্রাকে করে তোলে বহুসাংস্কৃতিক ঐক্যের প্রতীক। রঙিন মুখোশ, লোকজ মোটিফ ও ঐতিহ্যবাহী উপকরণে ভরে ওঠে পুরো শোভাযাত্রা।

চারুকলা ও আশপাশের এলাকায় ছিল কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও স্বেচ্ছাসেবীরাও দায়িত্ব পালন করেন।

সব মিলিয়ে বৈশাখী শোভাযাত্রা আবারও প্রমাণ করেছে এটি শুধু উৎসব নয়, বরং বাঙালির অসাম্প্রদায়িক চেতনা, ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক ঐক্যের এক প্রাণবন্ত প্রতীক।

এএন

Link copied!