ক্রীড়া প্রতিবেদক
জানুয়ারি ৪, ২০২৬, ১০:১২ পিএম
দুর্দান্ত বোলিংয়ে রংপুর রাইডার্সকে নাগালেই রেখেছিল ঢাকা ক্যাপিটালস। মাঝারি মানের লক্ষ্য তাড়ায় শুরুটাও আশাপ্রদ ছিল তাদের। কিন্তু মাঝপথে মোহাম্মদ মিঠুন ও সাইফ হাসানরা ব্যাটিংয়ের গতি পরিবর্তন করতে না পারায় শেষ পর্যন্ত পরাজয় বরণ করতে হয়েছে ঢাকাকে।
জয়ের জন্য শেষ ওভারে প্রয়োজন ছিল ১০ রান, তবে মোস্তাফিজুর রহমানের দুর্দান্ত সেই ওভারে প্রয়োজনীয় সমীকরণ মেলাতে পারেনি ঢাকা ক্যাপিটালস।
সিলেটে টস হেরে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৫৫ রান সংগ্রহ করে রংপুর। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৫১ রান করেন অভিজ্ঞ মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।
জবাবে খেলতে নেমে ২০ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে ১৫০ রানেই থামতে হয় ঢাকাকে। ফলে ৫ রানের শ্বাসরুদ্ধকর জয় পায় রংপুর রাইডার্স।
১৫৬ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ঢাকার দুই ওপেনার রহমানুল্লাহ গুরবাজ ও আবদুল্লাহ আল মামুন ৫৪ রানের উদ্বোধনী জুটি উপহার দেন। ৩১ রান করে গুরবাজ আউট হওয়ার পর ২০ রান করে প্যাভিলিয়নে ফেরেন মামুনও। এরপর তৃতীয় উইকেট জুটিতে মোহাম্মদ মিঠুন ও সাইফ হাসান দলকে জয়ের স্বপ্ন দেখান।
তবে মিঠুন সাবলীল ব্যাটিং করলেও সাইফের ধীরগতির ব্যাটিং ঢাকার ওপর চাপ সৃষ্টি করে; ২৪ বল খেলে তিনি করেন মাত্র ১৫ রান। শেষদিকে শামীম হোসেন ও সাব্বির রহমান চেষ্টা করলেও লক্ষ্যে পৌঁছাতে পারেননি। মিঠুন ৫৬ রানে এবং সাব্বির ১২ রানে অপরাজিত থাকেন।
এর আগে রংপুরের হয়ে লিটন দাসের সঙ্গে ইনিংস উদ্বোধন করতে নেমে কাইল মেয়ার্স ১১ বলে ১১ রান করে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের বলে আউট হন। সুবিধা করতে পারেননি লিটনও; ৬ বলে ৬ রান করে জিয়াউর রহমানের শিকারে পরিণত হন তিনি। তিনে নামা তাওহিদ হৃদয় প্রথম বলেই গোল্ডেন ডাক মেরে ফিরলে ৩০ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে রংপুর।
চতুর্থ উইকেটে দলের হাল ধরেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও ডেভিড মালান। এই জুটি ৫৪ বলে ৭৪ রান যোগ করে দলকে লড়াইয়ে ফেরায়। মালান ৩৩ রান করে আউট হলেও মাহমুদউল্লাহ ৪১ বলে ৫১ রানের দায়িত্বশীল ইনিংস খেলেন। শেষদিকে খুশদিল শাহর ২১ বলে অপরাজিত ৩৮ রানের ক্যামিও ইনিংসে ভর করে ১৫৫ রানের পুঁজি পায় রংপুর রাইডার্স।
ইএইচ