ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

জয়পুরহাটে নির্মাণাধীন ব্রিজের বিকল্প কাঠের ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো

জয়পুরহাট প্রতিনিধি

জয়পুরহাট প্রতিনিধি

অক্টোবর ১, ২০২৪, ০৩:৩১ পিএম

জয়পুরহাটে নির্মাণাধীন ব্রিজের বিকল্প কাঠের ঝুঁকিপূর্ণ সাঁকো

গত কয়দিনের টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পানির তীব্র স্রোতে ভেসে আসা কচুরিপানা ও অন্যান্য আবর্জনা সাঁকোর খুঁটিতে আটকিয়ে জয়পুরহাটের পাঁচবিবিতে ছোট যমুনা নদীর উপর নির্মাণাধীন মাউরিতলা ব্রিজের বিকল্প  কাঠের সাঁকোটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।

তীব্র স্রোতে খুঁটির নিচের মাটি সরে যাওয়ার কারণে কাঠের ব্রিজটির মাঝখানে দেবে গেছে।

এছাড়াও স্রোতে ভেসে আসা কচুরিপানা ও আবর্জনা খুঁটিতে আটকিয়ে আরো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে বিকল্প সাঁকোটি। এতে করে ঝুঁকি নিয়েই ওই সাঁকো দিয়েই চলাচল করছে দুই পাড়ের হাজার হাজার মানুষ।

সাঁকোটি দ্রুত মেরামত করা না হলে যে কোন সময় বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে বলে মনে করছেন পথচারীরা।

জানা যায়, ভারতের দক্ষিণ দিনাজপুরের হিলি অতিক্রম করে এসে পাঁচবিবি শহরের সীমানা ঘেঁষে বয়ে যাওয়া ছোট যমুনা নদীর বড়মানিক নামক স্থানে ৬০ এর দশকে  ব্রিজটি  নির্মাণ করা হয়। যা মাউরিতলা ব্রিজ নামে পরিচিত। ব্রিজটি চলাচলের জন্য অধিক ঝুঁকিপূর্ণ হওয়াই  স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজটি ভেঙে ফেলে এবং চলতি বছরের শুরুতে প্রায় সাড়ে ৮ কোটি টাকার অধিক ব্যয়ে ৯০.০৬ মিটার দৈর্ঘ্য নতুন ব্রিজ নির্মাণ শুরু করেন। ব্রিজ নির্মাণ সম্পন্ন হওয়ার আগ পর্যন্ত সাধারণ মানুষ, ভ্যান-রিক্সা ও মোটরসাইকেল ও পারাপারের সুবিধার্থে ব্রিজ নির্মাণ ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান  বাঁশ-কাঠ দিয়ে একটি সাঁকো তৈরি করেন।

কিন্তু গত তিনদিনের একটানা বৃষ্টির কারণে এবং উজান থেকে নেমে আসা ঢলের তীব্র স্রোতে সাঁকোর বাঁশের খুঁটির গোড়ার মাটি সরে গিয়ে মাঝখানে দেবে গেছে।

তবে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে  কয়েকজন শ্রমিক সাঁকোয় আটকে থাকা কচুরিপানা ও আবর্জনা অপসারণ করে ঝুঁকিমুক্ত করার চেষ্টা করছেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আরিফা সুলতানা বলেন, সাঁকোটি যেন ক্ষতির মুখে না পরে সেজন্য প্রকৌশল বিভাগকে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর জয়পুরহাট জেলার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আলাউদ্দিন বলেন, সাকোঁটি জনসাধারণের চলাচলে সচল রাখার জন্য প্রয়োজনীয় সব কিছুই করা হচ্ছে।

ইএইচ

Link copied!