ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

দু’দিনেও দাকোপের বাঁধ আটকানো সম্ভব হয়নি: জেলা প্রশাসকের ভাঙন এলাকা পরিদর্শন

দাকোপ (খুলনা) প্রতিনিধি

দাকোপ (খুলনা) প্রতিনিধি

অক্টোবর ৯, ২০২৫, ০৬:৩৩ পিএম

দু’দিনেও দাকোপের বাঁধ আটকানো সম্ভব হয়নি: জেলা প্রশাসকের ভাঙন এলাকা পরিদর্শন

খুলনার দাকোপে ভেঙে যাওয়া বাঁধ দু’দিনেও আটকানো সম্ভব হয়নি। প্লাবিত এলাকায় খাদ্য পানির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থ এলাকা পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসক দ্রুত বাঁধ নির্মানের আশ্বাস দিয়েছেন।

মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১১টায় ঢাকী নদীর পানির তোড়ে ভেঙে যায় দাকোপের তিলডাঙ্গা ইউনিয়নের বটবুনিয়া এলাকার আনুমানিক ২ শত ফুট বেড়ীবাঁধ। এ ঘটনায় তিলডাঙ্গা ইউনিয়নের উত্তর কামিনীবাসিয়া, বটবুনিয়া, নিশানখালী, আড়াখালী, দক্ষিন কামিনীবাসিয়া, ভাদলা বুনিয়া, মশামারী, গড়খালী ও কাকড়া বুনিয়া এলাকা কমবেশি প্লাবিত হয়েছে। অব্যহত জোয়ার ভাটায় উত্তর কামিনীবাসিয়া, বটবুনিয়া, নিশানখালী, আড়াখালী গ্রামের বাসিন্দারা অবর্ণনীয় দূর্ভোগে পড়েছেন। অনেকে গৃহহারা হয়ে খোলা আকাশের নীচে আশ্রয় নিয়েছেন, অনেকে আবার নিজ বাড়ীতে পানিবন্দি জীবন কাটাচ্ছেন।

এ ঘটনায় প্রায় ৩ হাজার বিঘা জমির আমন ধান পানির নীচে তলিয়ে আছে। ভেসে গেছে শত শত ঘের ও পুকুরের মাছ। তলিয়ে আছে সব্জির ক্ষেত। সব মিলে ক্ষতির পরিমাণ প্রাথমিকভাবে শত কোটি টাকার মতো হতে পারে। দূর্গত এলাকায় এখন খাদ্য পানির তীব্র সংকট বিরাজ করছে।

বুধবার ভোর থেকে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পানি উন্নয়ন বোর্ড অন্তত ৩ দফা বাঁধ আটকানোর চেষ্টা করেছে, তবে ব্যর্থ হয়েছে। জোয়ারের প্রচন্ড স্রোত এবং মাটির স্বল্পতা বাঁধ আটকানোর বড় অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

ঘটনার পর থেকে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নেতৃত্বে দাকোপ উপজেলা প্রশাসন সার্বক্ষনিক সেখানে অবস্থান করে মেরামত কাজ তদারকি করছেন। 

বৃহস্পতিবার সকালে ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন খুলনার জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমান। এ সময় পানি উন্নয়ন বোর্ডের বিভাগীয় পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জেলা প্রশাসক পানিবন্দি মানুষের সাথে কথা বলে তাদের দূর্ভোগ শোনেন এবং তাদের মাঝে শুকনো খাবার, চিড়া, গুড়সহ চাউল, ডাউল, তেল, লবণ, হলুদ ও মসলার ত্রাণ সামগ্রী বিতরণ করেন।

জেলা প্রশাসক দূর্গতদের আশ্বস্ত করে বলেন, খুব দ্রুত বাঁধ আটকানোর জন্য সকল উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া, এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থদের তালিকা তৈরির জন্য উপজেলা প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকে তাদের সহায়তা নিশ্চিত করা হবে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের খুলনার নির্বাহী প্রকৌশলী আশরাফুল আলম জানান, স্রোতের তীব্রতা এবং মাটির স্বল্পতার কারণে বাঁধ আটকাতে বেগ পেতে হচ্ছে। তবে তিনি আশা করছেন, বৃহস্পতিবার রাতের মধ্যে বাঁধ আটকানো সম্ভব হবে।

উপজেলা প্রশাসন ইতিমধ্যে দূর্গত ১৬০ পরিবারের মাঝে শুকনো খাবার এবং ১২০ পরিবারের মাঝে চাউল, ডাল, তেল, লবণ, হলুদ ও মসলার ত্রাণ প্যাকেজ বিতরণ করেছে।
ইএইচ

Link copied!