ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ঈশ্বরগঞ্জে মাদ্রাসাছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণ: আদালতের দ্বারস্থ ভুক্তভোগী পরিবার

ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

অক্টোবর ২০, ২০২৫, ০৬:০৫ পিএম

ঈশ্বরগঞ্জে মাদ্রাসাছাত্রীকে অপহরণ ও ধর্ষণ: আদালতের দ্বারস্থ ভুক্তভোগী পরিবার

ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে ১৪ বছর বয়সী এক মাদ্রাসাছাত্রীকে অপহরণ, আটকে রেখে ধর্ষণ এবং নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী আল মামুন (২৮) নামক এক যুবকের বিরুদ্ধে। 

বিবাহিত ও দুই সন্তানের জনক হওয়া সত্ত্বেও এমন জঘন্য কর্মকাণ্ড করায় ভুক্তভোগী পরিবার তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছে। ঘটনাটি স্থানীয় মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।

মামলার অভিযোগকারী ও ভিকটিমের ভাইয়ের বর্ণনা অনুযায়ী, অভিযুক্ত আল মামুন একজন দুশ্চরিত্র ও লম্পট প্রকৃতির লোক। 

সম্প্রতি মাদ্রাসায় যাওয়ার পথে আল মামুন কৌশলে মেয়েটিকে ফুসলিয়ে ঈশ্বরগঞ্জ বাজারের কথা বলে একটি অটোরিকশায় তুলে নেয়।

অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, মামুন ভিকটিমকে জয়পুরহাটে নিয়ে গিয়ে একটি বাসায় প্রায় ১৫ দিন আটকে রাখে। এই সময়ে সে খুন-জখমের ভয় দেখিয়ে মেয়েটিকে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে একাধিকবার ধর্ষণ করে। দীর্ঘ ১৫ দিন পর সে ওই মাদ্রাসাছাত্রীকে ঈশ্বরগঞ্জের সোহাগী বাজারের কাছে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থী তার উপর ঘটে যাওয়া পাশবিক নির্যাতন ও ধর্ষণের বিচার চেয়েছেন। 

তিনি বলেন, আমাকে দীর্ঘদিন আটকে রেখে ধর্ষণ ও নির্যাতন করা হয়েছে। আমি এর বিচার চাই।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত আল মামুনের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বিষয়টি ঘরোয়াভাবে সমাধানের চেষ্টা চলছে বলে জানান।

ঘটনাটি স্থানীয় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে। ভিকটিমের পরিবার প্রথমে ঈশ্বরগঞ্জ থানায় মামলা করতে গেলে পুলিশ মামলা না নেওয়ায় তারা বাধ্য হয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন। অভিযুক্ত আল মামুনের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি পিটিশন মামলা দায়ের করা হয়েছে।

ঈশ্বরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ ওবায়দুল রহমান এ বিষয়ে বলেন, ‘ভিকটিমের বাবা প্রথমে মেয়ে হারিয়ে গেছে বলে একটি অভিযোগ করেছিলেন। অভিযোগ দেওয়ার পরের দিন তিনি ফোন দিয়ে মেয়ে ফিরে আসার কথা জানান। তবে তারা পরবর্তীতে থানায় মামলা করতে আসেননি।’

ইএইচ

Link copied!