ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

দুই যুগেও সংস্কার হয়নি বিসিসির সড়ক, জনদুর্ভোগ চরমে

আরিফ হোসেন, বরিশাল ব্যুরো

আরিফ হোসেন, বরিশাল ব্যুরো

অক্টোবর ২৬, ২০২৫, ০৭:৫২ পিএম

দুই যুগেও সংস্কার হয়নি বিসিসির সড়ক, জনদুর্ভোগ চরমে

সরকার আসে, সরকার যায়, কাউন্সিলর আসে, কাউন্সিলর যায়—কিন্তু জনগণের কথা চিন্তা করে না কেউ। দুই যুগের বেশি অতিবাহিত হলেও বরিশাল নগরীর ৩ নং ওয়ার্ডের অধিকাংশ সড়ক এবং গাউরনদীর প্রধান সড়কের সঙ্গে থাকা শাখা সড়ক আব্দুল কাদের লেনটি দুই যুগেও সংস্কার হয়নি।

সরেজমিনে গিয়ে ভুক্তভোগী বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সড়কের দুই পাশের বাসিন্দারা নিজেরা জমি দিয়ে রাস্তাটি প্রথম নির্মাণ করেন প্রায় ২৫ বছর আগে। মাত্র ৩১৫ ফিট লম্বা এবং পাশে ১০ ফুট চওড়া এই শাখা সড়কটি জন্মলগ্ন থেকেই কাঁচা পড়ে রয়েছে।

নিজেদের উদ্যোগে রাস্তাটির দুই পাশে গাইডওয়াল করে নিজেরা বালু ও খোয়া ফেলে কোনোরকম চলাফেরা করছেন।

ফলে ওই গলিতে স্থায়ীভাবে বসবাসকারী পরিবারগুলোকে পোহাতে হচ্ছে চরম দুর্ভোগ। তাদের মধ্যে দুটি মুক্তিযোদ্ধা পরিবারও রয়েছে।

অন্যদিকে প্রধান সড়ক থেকে শুরু করে অধিকাংশ সড়কের বেহাল অবস্থা দীর্ঘদিন ধরে। যা দেখার কেউ নেই বললেই চলে। সামান্য একটু বৃষ্টি হলেই সড়কটির কয়েকটি স্থানে হাঁটুসমান পানি জমে থাকে।

গলিতে একটি হাফেজি মাদ্রাসা রয়েছে। জলাবদ্ধতায় শিক্ষার্থীরা ঠিকমতো স্কুল ও মাদ্রাসায় যেতে পারে না এবং বয়স্করা নামাজে যেতে পারে না।

নিয়মিত তারা হোল্ডিং ট্যাক্স দিয়ে আসলেও সিটি কর্পোরেশন দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিয়ে আসছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী বাসিন্দারা। দেখার যেন কেউ নেই।

বিষয়টি নিয়ে ওয়ার্ড কাউন্সিলর আলহাজ হাবিবুর রহমান ফারুক মৃধার সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, বছরের পর বছর আশ্বাস দিয়ে বিগত বছর পার করেছেন সাবেক মেয়ররা। বিগত দিনে দল ক্ষমতায় না থাকায় নিজের ব্যর্থতা তুলে ধরেছেন।

তিনি আরও বলেন, আমার ওয়ার্ডের সকল রাস্তার লিস্ট সিটি কর্পোরেশনে দেওয়া আছে। আশা করি, বর্তমান প্রশাসক অথবা নির্বাচন শেষে নতুন সরকার অচিরেই সংস্কার কাজ শুরু করবেন।

গত বছর সিটি কর্পোরেশনে এ ব্যাপারে আবেদন করলে ৫ আগস্ট সরকারের পতনের পর সেই আবেদনের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।

বিসিসি থেকে পুনরায় আবেদন করতে বললে পরে চলতি বছরের শুরুতে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি আরেকটি আবেদন করা হয়, যার ডকেট নাম্বার ১৫৬০। এতে বিসিসি থেকে এস্টিমেটর এসে মাপজোক করে যায়। সড়কটিতে ৭ ফিট সিসি ঢালাই রাস্তা এবং সঙ্গে ৩ ফিট ড্রেন নির্মাণের হিসাব দেওয়া হয় এবং সে বাবদ ব্যয় ধরা হয় ৩৫ লাখ ৭৯ হাজার ৭৪৬ টাকা। দীর্ঘদিন অতিবাহিত হলেও তা এখনো বাস্তবায়ন হচ্ছে না। যোগাযোগ করলে অর্থ বরাদ্দ নেই বলে সময়ক্ষেপণ করা হচ্ছে।

গলির বাসিন্দা হারুন অর রশিদ বলেন, জন্মলগ্ন থেকে রাস্তাটি কাঁচা পড়ে আছে। বর্ষা মৌসুমে প্রত্যেকটি বাড়ি জলাবদ্ধতায় আটকে থাকে। আমরা এই দুর্ভোগ থেকে পরিত্রাণ চাই।

বিসিসির সহকারী অ্যাকাউন্টস অফিসার আখতারুজ্জামান সবুজ জানান, প্রকৌশল শাখা থেকে আমাদের কাছে ফাইল চাইনি বলে ওভাবেই পড়ে আছে। এখন আমাদের হাতে কিছু নেই। অত্র ওয়ার্ডের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশল শাখায় যোগাযোগ করুন।

বিসিসির প্রধান প্রকৌশলী মো. হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমার কাছে পেপারস আসলে সাধারণত আমি মার্ক করে দিই। আপনি নির্বাহী প্রকৌশলী আবুল বাশারের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

তার সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, আমাদের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

বিসিসির নির্বাহী প্রকৌশলী (ক অঞ্চল) মো. মকসুমুল হাকিম রেজা বলেন, হয়তো তালিকা তৈরি করা হয়েছে। আমি অফিসের বাইরে অবস্থান করছি, তাই বলতে পারছি না।

ইএইচ

Link copied!