ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে প্রার্থীতা বাতিল: নির্বাচন কমিশনার

জুবেল হাসান রানেল, নারায়ণগঞ্জ

জুবেল হাসান রানেল, নারায়ণগঞ্জ

ডিসেম্বর ১, ২০২৫, ০৭:১৩ পিএম

আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে প্রার্থীতা বাতিল: নির্বাচন কমিশনার

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো প্রার্থী আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে লোক দেখানো নয়, তাদের বিরুদ্ধে সরাসরি প্রার্থীতা বাতিল করা হবে। কোনো প্রার্থী এ নির্বাচনে পোস্টার করতে পারবেন না। নির্বাচনে সব দলের প্রার্থী সমান ভাবে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে বলে মন্তব্য করেছেন নির্বাচন কমিশনার আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

সোমবার নারায়ণগঞ্জের বন্দরের সাইরা গার্ডেনে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনের উদ্যোগে “নির্বাচন প্রক্রিয়ায় ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের দায়িত্ব পালনে চ্যালেঞ্জসমূহ নিরসন ও উত্তরণের উপায়” শীর্ষক দিনব্যাপী একটি কর্মশালা অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। 

তিনি আরও বলেন, সরকার চিঠি দিয়ে নির্বাচন কমিশনকে অনুরোধ করেছে নির্বাচন এবং গণভোট করার জন্য। নির্বাচন কমিশন আইন কানুন বিধিবিধান সবকিছু করে প্রস্তুত। এই নির্বাচনের জন্য সকল মালামাল ক্রয় করা হয়েছে। এই মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহের ভিতরে আমরা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবো। দুই মাস পরে যে তারিখে আমরা সিডিউল ঘোষণা করবো সে দিক থেকে কম-বেশি ৬০ দিনের ভিতর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। বিশেষ করে রমজান মাসের আগে আগামী ফেব্রুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

আনোয়ারুল ইসলাম সরকার আরও বলেন, হলফনামায় যদি কোনো প্রার্থী তথ্য গোপন করেন এবং কম-বেশি দেন, সেক্ষেত্রে সে নির্বাচিত হলেও তার পদবি বাতিল হবে। নির্বাচন চলাকালীন সময় প্রিজাইডিং অফিসার থাকবেন কেন্দ্রের কেন্দ্রবিন্দু। প্রিজাইডিং অফিসারের নেতৃত্বে তার কেন্দ্রে ভোট ব্যবস্থাপনা করবেন। যদি এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় ফল ঘোষণার আগ পর্যন্ত কোনো যদি অন্তরায় সৃষ্টি হয় তাহলে প্রিজাইডিং অফিসার ভোট কেন্দ্র বন্ধ করতে পারবেন। রিটার্নিং অফিসার চাইলে পুরো আসনটাই বাতিল করতে পারবেন।

তিনি বলেন, ক্ষমতা প্রয়োগের ক্ষেত্রে রিটার্নিং অফিসারকে অবাধ ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে, পুলিশ অফিসারকে অনেক ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে এবং সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি পাওয়ার দেওয়া হয়েছে। সুতরাং একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করার জন্য কোনো সন্দেহের অবকাশ নাই যে এখানে ভিন্ন কিছু হবে।

কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, নির্বাচন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক মুহাম্মদ হাসানুজ্জামান, নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সি, উপপ্রধান (উপসচিব) ও প্রকল্প পরিচালক নির্বাচন কমিশন সচিবালয় মুহাম্মাদ মোস্তফা হাসান, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আলমগীর হোসেন।

কর্মশালার সভাপতিত্ব করেন আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা (ঢাকা অঞ্চল) মো. ইউনুচ আলী। জেলা নির্বাচন অফিসের বাস্তবায়নে এ কর্মশালায় নির্বাচন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা অংশ নেন।

ইএইচ

Link copied!