ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

পটিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যঝুঁকি: নিম্নমানের খোলা তেল ও মানহীন মসলায় খাবার সরবরাহ

চট্টগ্রাম ব্যুরো

চট্টগ্রাম ব্যুরো

ডিসেম্বর ১০, ২০২৫, ০৫:১৩ পিএম

পটিয়া স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্যঝুঁকি: নিম্নমানের খোলা তেল ও মানহীন মসলায় খাবার সরবরাহ

চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাবার সরবরাহকারী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। নিম্নমানের খাবার সরবরাহের বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানকে বারবার সতর্ক করা হলেও এ বিষয়ে তারা সতর্ক হয়নি বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের অভিযোগ।

রোগীদের দৈনিক পথ্য ও খাদ্য সরবরাহের তালিকা থেকে জানা যায়, হাসপাতালের ভর্তিকৃত রোগীদের তিনবেলা খাবারের (সকালের নাস্তা, দুপুর ও রাতের খাবার) জন্য বরাদ্দ ১৭৫ টাকা। বিশেষ দিনে এই বরাদ্দ বেড়ে হয় ২০০ টাকা। এর মধ্যে নাস্তার জন্য ৪৯ টাকা বরাদ্দ থাকলেও ভালো মানের নাস্তা সরবরাহ করা হয় না বলে অভিযোগ একাধিক সেবাপ্রার্থীর। নাস্তা হিসেবে নিম্নমানের রুটি ও কলা সরবরাহ করা হয় বলে জানিয়েছেন একাধিক রোগী ও তাদের স্বজনেরা।

সম্প্রতি হাসপাতালের রন্ধনশালায় সরেজমিন অনুসন্ধানে দেখা গেছে, হাসপাতালে ভর্তিকৃত রোগীদের জন্য সরবরাহকৃত খাবার তৈরীতে উন্নতমানের সয়াবিন তেল ব্যবহারের উল্লেখ থাকলেও ব্যবহার করা হচ্ছে নিম্নমানের খোলা তেল। খাবারে খোলা তেল ব্যবহারের ফলে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেই তৈরি হয়েছে স্বাস্থ্য ঝুঁকির সম্ভাবনা। রোগীদের জন্য সরবরাহকৃত চালের মানও নিম্নমানের। দরপত্রে উল্লেখিত মানের চাল সরবরাহ করা হচ্ছে না। এছাড়া খাবারে বেনামি মানহীন মসলা ব্যবহার করার ফলে রোগীরা ঠিকমতো খাবার খেতে পারেন না। সরবরাহকৃত খাবার বিস্বাদ হওয়ায় রোগীদের অনেকেই ড্রেনে ফেলে দিচ্ছেন। উন্নতমানের মসুর ডাল দেওয়ার কথা দরপত্রে উল্লেখ থাকলেও সেদিকে ভ্রূক্ষেপ নেই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের। যার সুনির্দিষ্ট স্থিরচিত্র প্রতিবেদকের কাছে সংরক্ষিত আছে।

পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিতে আসা কচুয়াই মধ্যম পাড়া এলাকার বাসিন্দা গৃহবধূ উষা মিত্র জানান, "হাসপাতালের সরবরাহকৃত খাবার খাওয়া যায় না। বাইরে থেকে খাবার এনে খেতে হয়। অনেকেই অল্প খেয়ে ডাস্টবিনে ফেলে দেয়।"

এ বিষয়ে জানতে ওয়ার্ড ইনচার্জ জেসমিনকে একাধিক ফোনকল দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ করেননি। অপরদিকে, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ট্রেডার্স এর স্বত্বাধিকারী অসীম দে'কে একাধিকবার ফোনকলে যোগাযোগের চেষ্টার পর না পেয়ে ক্ষুদেবার্তা পাঠানো হয়। তাতেও তার সাড়া মেলেনি।

আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) সাজ্জাদ ওসমান বলেন, "আমরা রোগীদের খাবারের বিষয়টা নিয়মিত তদারকি করে দেখি। কোনো অনিয়ম চোখে পড়েনি। অনিয়ম চোখে পড়লে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. আবু তৈয়ব বলেন, "হাসপাতালে আগত রোগীরা যাতে সর্বোচ্চ সেবা পায়, সে লক্ষ্যে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। খাবার সরবরাহের ক্ষেত্রে অনিয়মের যে অভিযোগ পেয়েছি, সেটি খতিয়ে দেখে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

ইএইচ

Link copied!