ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

বুড়িচংয়ে ইউটিউব দেখে টমেটো চাষে সফল কৃষক

গাজী জাহাঙ্গীর আলম জাবির, বুড়িচং (কুমিল্লা)

গাজী জাহাঙ্গীর আলম জাবির, বুড়িচং (কুমিল্লা)

জানুয়ারি ৫, ২০২৬, ০৩:৫১ পিএম

বুড়িচংয়ে ইউটিউব দেখে টমেটো চাষে সফল কৃষক

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার চাঁনগাছা গ্রামের পরিশ্রমী যুবক মনির হোসেন ইউটিউব দেখে গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষে উদ্বুদ্ধ হন। এরপর প্রায় ১৫ বিঘা জমিতে টমেটো চাষ করে গত ৪ মাসে কোটি টাকার বেশি মূল্যের টমেটো বিক্রি করেছেন। এখনো গাছগুলোতে ঝুলছে থোকায় থোকায় টমেটো। 

প্রতিদিনই স্থানীয় বাজারের পাশাপাশি পাইকাররা বাগান থেকে সরাসরি টমেটো কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। তাঁর আশা, আসন্ন শীত মৌসুমেও গাছগুলো থেকে পর্যাপ্ত ফলন পাওয়া যাবে।

বুড়িচং উপজেলার মোকাম ইউনিয়নের চাঁনগাছা গ্রামের মনির হোসেন জানান, ইউটিউব দেখে টমেটো চাষে আগ্রহী হয়ে ওঠেন তিনি। 

চলতি বছরের জুনের প্রথম দিকে গ্রামের আশপাশে ৬টি প্লটে প্রায় ১৫ বিঘা জমিতে টমেটো চাষ শুরু করেন। জমি তৈরি করে ভারতীয় ‘মঙ্গল রাজা’ ও ‘শাহু’ প্রজাতির টমেটোর চারা রোপণ করেন। এরপর দুমাস পেরোতেই গাছে ফুল আসতে শুরু করে। এক সময় থোকা থোকা টমেটোতে গাছগুলো ভরে ওঠে। এরপর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। 

প্রতিদিন গড়ে ১ টনের বেশি টমেটো দেশের অন্যতম বৃহৎ পাইকারি বাজার নিমসারে বিক্রি করা শুরু হয়। এখন অনেক ক্রেতা খবর পেয়ে সরাসরি বাগানে এসে টমেটো সংগ্রহ করছেন।

মনির জানান, আমাদের দেশে গ্রীষ্মকালে টমেটোর পর্যাপ্ত ফলন না থাকায় এই চাষ খুবই লাভজনক। তার বাগানে সর্বমোট ২৬ থেকে ২৭ জন শ্রমিক কাজ করেন। প্রতি বিঘায় উৎপাদন খরচ হয়েছে প্রায় ১১ লক্ষ টাকা। জুন মাসের শেষ দিকে চারা রোপণের পর আগস্ট মাসের শেষ দিক থেকে ফসল তোলা শুরু করেন। 

প্রথম দিকে কেজিপ্রতি ১৫০ টাকা দর পেলেও বর্তমানে ১০০ টাকা করে বাজারমূল্য পাচ্ছেন। শীতকালীন টমেটো বাজারে আসতে শুরু করায় দাম কিছুটা কমেছে বলে তিনি জানান।

বাগানে উপস্থিত কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ওমর ফারুক বলেন, “এই ফসলটি মূলত গ্রীষ্মকালীন। তবে বর্তমানে গাছে যে ফলন দেখা যাচ্ছে, তাতে পুরো শীত মৌসুমেও এসব গাছ থেকে পর্যাপ্ত ফলন পাওয়া যাবে।”

উদ্যোক্তা মনির হোসেন দাবি করেন, এরই মাঝে তিনি তার জমি থেকে প্রায় ১৫০ টনের বেশি টমেটো বাজারে বিক্রি করেছেন। গাছগুলো এখনো সতেজ ও টমেটোতে ঠাসা রয়েছে। শীতে স্থানীয় কৃষকদের উৎপাদিত টমেটো বাজারজাত হলে দাম অনেকটা কমে যাবে বলে তিনি আরও কিছুদিন ভালো মূল্য পাওয়ার আশা প্রকাশ করেন।

উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ওমর ফারুক আরও জানান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোসা. আফরিনা আক্তার ও জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা আতিকুর রহমান সরেজমিন টমেটো বাগানগুলো পরিদর্শন করেছেন। কৃষি অধিদপ্তর থেকে নিয়মিত পরামর্শের পাশাপাশি মনির হোসেনকে বিপণনে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। 

এ ছাড়া আগামীতে উৎপাদন আরও বাড়াতে কৃষি বিভাগ থেকে তাঁকে ৫০ শতাংশ জমিতে পলিনেট হাউসের বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বাজার সম্প্রসারণে নানাভাবে প্রচারণার কথাও জানান এই কর্মকর্তা।

ইএইচ

Link copied!