রফিকুল ইসলাম, পূর্বাচল
জানুয়ারি ২২, ২০২৬, ০৬:০০ পিএম
ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার নির্ধারিত শেষ সময় ৩১ জানুয়ারি। আর মাত্র ৯ দিন বাকি থাকায় শেষ মুহূর্তে ক্রেতা টানতে স্টলগুলোতে দেওয়া হচ্ছে বাড়তি ছাড় ও বিশেষ অফার। ফলে মেলার প্রতিটি করিডরে বাড়ছে দর্শনার্থী ও ক্রেতাদের ভিড়।
ভিনদেশি স্টলের মধ্যে দৃষ্টিনন্দন আলোকবাতির জন্য বরাবরের মতো নজর কাড়ছে তুর্কিস্তানের দোকান। এখানে ৪ হাজার ৫০০ টাকা থেকে শুরু করে দেড় লাখ টাকা দামের ঝাড়বাতি পাওয়া যাচ্ছে। পাশাপাশি সিরামিকের বাটি, শোপিস, ফুলদানি ও দেয়ালঘড়ি মিলছে ৩ হাজার থেকে ১৮ হাজার টাকায়।
ইস্তাম্বুল ও কাশ্মীরি কার্পেটের স্টলে সিল্ক, উল ও সিনথেটিক কার্পেটের বর্গফুটপ্রতি দাম ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা। বড় আকারের কার্পেটের দাম সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত।
ভারতীয় ও পাকিস্তানি স্টলে নাগরা, চটি ও স্যান্ডেলের দাম ১ হাজার ২০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকা। শীতপোশাকের মধ্যে কাশ্মীরি শাল ২ হাজার থেকে ৩ লাখ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। এ ছাড়া কম্ফোর্টার, বালিশ ও বেডশিটেও রয়েছে শেষ সময়ের ছাড়।
মেয়েদের পোশাকে থ্রি–পিস বিক্রি হচ্ছে ৫৫০ টাকা থেকে ২ হাজার ২৫০ টাকায়। টাঙ্গাইল তাঁতের শাড়ি ৭৫০ টাকা থেকে এবং জামদানি ১ হাজার ৫০০ থেকে ৬৫ হাজার টাকা পর্যন্ত পাওয়া যাচ্ছে।
শিশুদের পণ্যের স্টলগুলোতে ভিড় বেশি দেখা গেছে। দুরন্ত সাইকেলে সর্বোচ্চ ৪০ শতাংশ ছাড়ে শিশুদের সাইকেল বিক্রি হচ্ছে ৪ হাজার ২০০ টাকা থেকে। আরএফএলের স্টলে স্কুটি, খেলনা গাড়ি, দোলনা ও স্লাইডারসহ নানা খেলনা সামগ্রী মিলছে।
গৃহস্থালি পণ্যের মধ্যে অ্যাক্রিলিক ফাইবারের রঙিন তৈজসপত্র ক্রেতাদের আকর্ষণ করছে। পাশাপাশি কারা পণ্যের স্টলে বন্দীদের তৈরি বাঁশ, বেত, কাঠ ও পাটজাত পণ্যের সমাহার দেখা যাচ্ছে।
এ ছাড়া জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশনের স্টলে বিক্রিত পণ্যের অর্থ যাবে পুনর্বাসন সহায়তায়। শিশুদের বিনোদনের জন্য রয়েছে শিশুপার্ক, যেখানে রাইডের টিকিটের মূল্য শুরু ১০০ টাকা থেকে। মেলার শেষ প্রান্তে তুরস্কের শেফদের পরিচালিত টার্কিশ রেস্তোরাঁয় মিলছে বিভিন্ন খাবার।
উল্লেখ্য, ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এবং শুক্র ও শনিবার রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকে। মেলায় যাতায়াতে বিআরটিসির শাটল বাস, অনলাইন টিকিট, ১০ শতাংশ ছাড়সহ ফ্রি ওয়াইফাই সুবিধাও রয়েছে।
ইএইচ