ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

তেঁতুলিয়ায় ফুটেছে ভিনদেশি রাজসিক টিউলিপ

পঞ্চগড় প্রতিনিধি

পঞ্চগড় প্রতিনিধি

ফেব্রুয়ারি ১৬, ২০২৬, ০৬:১৮ পিএম

তেঁতুলিয়ায় ফুটেছে ভিনদেশি রাজসিক টিউলিপ

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় পঞ্চমবারের মতো ফুটেছে ভিনদেশি রাজসিক ফুল টিউলিপ। ভারতীয় সীমান্তঘেঁষা দর্জিপাড়া এলাকায় রঙিন এই ফুলের বাগান ছড়িয়ে দিচ্ছে মুগ্ধতা। প্রতিদিনই বিভিন্ন জেলা থেকে দর্শনার্থীরা ভিড় করছেন বাগানে।

টিউলিপের সৌন্দর্য উপভোগের পাশাপাশি স্থানীয় কৃষক-কৃষাণীরাও হচ্ছেন আর্থিকভাবে লাভবান। এবারও শীতপ্রধান দেশের এই ফুল চাষের উদ্যোগ নিয়েছে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ইকো সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন। ১০ জন নারী উদ্যোক্তার মাধ্যমে ৬০ শতক জমিতে খামারভিত্তিক টিউলিপ বাগান গড়ে তোলা হয়েছে।

প্রায় ১৪ হাজার ফুলে সাজানো হয়েছে পুরো বাগান। সূর্যের আলো ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে বসানো হয়েছে বিশেষ শেড। বাইরে রঙিন পতাকায় তৈরি করা হয়েছে নান্দনিক প্রবেশপথ। বাগানজুড়ে ফুটে আছে লালিবেলা, ডেনমার্ক, স্ট্রং গোল্ড ও মিস্টিক ভ্যান ইজকসহ পাঁচ রঙের টিউলিপ।

জনপ্রতি ৫০ টাকা টিকিট কেটে দর্শনার্থীরা বাগানে প্রবেশ করছেন। কেউ ফুল ছুঁয়ে দেখছেন, কেউ ছবি তুলছেন, কেউবা সেলফিতে বন্দি করছেন রঙিন মুহূর্ত। শিশুদের কোলাহল আর পর্যটকদের উচ্ছ্বাসে মুখর পুরো এলাকা।

গত চার বছর ধরে দর্জিপাড়া এলাকার কৃষক-কৃষাণীরা টিউলিপ চাষ করে লাভবান হচ্ছেন। নারী উদ্যোক্তাদের এই উদ্যোগ স্থানীয় অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে। উন্নয়ন সংস্থাটি জানায়, ক্ষুদ্র চাষিদের স্বাবলম্বী করা এবং পঞ্চগড়কে পর্যটনবান্ধব জেলা হিসেবে গড়ে তোলাই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য।

২০২২ সালে পরীক্ষামূলক প্রকল্প হিসেবে এই চাষ শুরু হয়। সেই সাফল্যের ধারাবাহিকতায় এবারও প্রসারিত হয়েছে চাষের পরিধি। টিউলিপ সাধারণত শীতপ্রধান দেশে দেখা যায়। রোপণের ১৮ থেকে ২০ দিনের মধ্যে কলি আসে এবং ২৫ থেকে ৬০ দিন পর্যন্ত ফুল স্থায়ী হতে পারে।

কৃষক রবিউল ইসলাম বলেন, আমাদের এখানে টিউলিপের একটি বাল্ব নেদারল্যান্ড থেকে আনতে প্রায় ৮০ টাকা খরচ পড়ে। দর্শনার্থীদের টিকিট ও ফুলের স্টিক বিক্রির মাধ্যমে আয় হয়। প্রতিটি স্টিক ১০০ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে এবং এগুলো ঢাকায়ও পাঠানো হয়।

নীলফামারী থেকে আসা প্রভাষক আব্দুল হামিদ বলেন, শুনেছিলাম টিউলিপ খুব সুন্দর। আজ এসে দেখে সত্যিই মুগ্ধ হয়েছি। শিক্ষার্থী সারিশ মুশফিয়াত শ্রেষ্ঠা বলেন, আগে টিভিতে দেখেছি, সামনে থেকে দেখে একেবারে ছবির মতো লাগছে।

সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক মুহম্মদ শহীদ উজ জামান বলেন, পাঁচ বছর আগে প্রান্তিক নারীদের নিয়ে টিউলিপ চাষ শুরু করি। এখন এটি তেঁতুলিয়ায় পর্যটকদের অন্যতম আকর্ষণ। এর অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে এখানে পরিবেশবান্ধব পর্যটন গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

জেএইচআর

Link copied!