ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

১৮০০ টাকা বাঁচাতে ট্রাকে উঠেছিলেন ৯ বন্ধু, দুর্ঘটনায় ঝরে গেল প্রাণ

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

মে ২৫, ২০২৬, ০১:২১ পিএম

১৮০০ টাকা বাঁচাতে ট্রাকে উঠেছিলেন ৯ বন্ধু, দুর্ঘটনায় ঝরে গেল প্রাণ

পরিবারের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করতে কর্মস্থল নোয়াখালী থেকে বাড়ি ফিরছিলেন একই এলাকার ৯ বন্ধু। বাসের অতিরিক্ত ১৮০০ টাকা ভাড়া বাঁচাতে তাঁরা উঠেছিলেন রডবোঝাই একটি ট্রাকে। কিন্তু সামান্য কিছু টাকা সাশ্রয়ের এই পরিকল্পনাই যে তাঁদের জীবনের শেষ যাত্রা হবে, তা কেউ ভাবেনি।

টাঙ্গাইলের বঙ্গবন্ধু যমুনা সেতু মহাসড়কে রডবোঝাই ট্রাক উল্টে যাওয়ার এক ভয়াবহ দুর্ঘটনায় ঝরে গেছে ১৫টি তাজা প্রাণ, যার মধ্যে রয়েছেন নোয়াখালীতে একসাথে কাজ করা সেই ৯ বন্ধু। নওগাঁর মান্দা উপজেলার এই ৯ যুবকের মৃত্যুতে পুরো এলাকায় নেমে এসেছে স্তব্ধতা আর শোকের ছায়া।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নোয়াখালী থেকে ছেড়ে আসা একটি রডবোঝাই ট্রাক ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের যমুনা সেতুর পূর্ব পাড়ে পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারান। মুহূর্তের মধ্যেই রডবোঝাই ট্রাকটি মহাসড়কের পাশে উল্টে গিয়ে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থল ও হাসপাতালে মিলিয়ে মোট ১৫ জন নিহত এবং অন্তত ১০ জন গুরুতর আহত হন।

এই দুর্ঘটনায় নওগাঁর মান্দা উপজেলার ১ নম্বর ভারশোঁ ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের ৯ জন বাসিন্দা প্রাণ হারিয়েছেন। নিহতদের মধ্যে রাজেন্দ্রবাটি গ্রামের বাসিন্দা হলেন মো. সুলতানের ছেলে মোহাম্মদ তারেক, মো. আব্দুর রশিদের ছেলে মো. আব্দুল বারেক, মো. আব্দুর রহিমের ছেলে মোহাম্মদ বাদশা, একাব্বরের ছেলে মো. সোহাগ, মো. শহিদুলের ছেলে মোহাম্মদ রবিউল এবং মোহাম্মদ সাকিমের ছেলে মোহাম্মদ সাগর। এ ছাড়া মুর্শিদপুর গ্রামের মৃত জাফর আলীর ছেলে মোহাম্মদ মইনুর ইসলাম এবং পাকুড়িয়া গ্রামের আব্দুর রশিদের দুই ছেলে মোহাম্মদ মাইনুল ও মোহাম্মদ গিয়াসও এই দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন।

নিহত তারেকের বাবা সুলতান হোসেন জানান, তারা নোয়াখালী এলাকায় ফেরি করে মানুষের ফেলে দেওয়া চুল, ভাঙা মোবাইল ও ছোট ছোট প্লাস্টিকের খেলনা বেচাকেনা করত। ঈদের ছুটিতে বন্ধুবান্ধব মিলে সবাই একসঙ্গে বাড়ি আসছিল। বাসে জনপ্রতি ১৮০০ টাকা করে বেশি ভাড়া চাচ্ছিল। তাই একটু টাকা বাঁচাতে সবাই মিলে ফেনী থেকে ট্রাকে ওঠে। কিন্তু এই সামান্য টাকার জন্য তাদের সব শেষ হয়ে গেল।

একই ইউনিয়নের ৯ যুবকের এমন আকস্মিক ও মর্মান্তিক মৃত্যুতে ভারশোঁ ইউনিয়নসহ পুরো মান্দা উপজেলায় কান্নার রোল পড়েছে। উপার্জনক্ষম সন্তানদের হারিয়ে দিশেহারা বাবা-মা ও স্বজনেরা। স্থানীয় প্রশাসন ও এলাকাবাসী নিহতদের মরদেহ নিজ নিজ গ্রামে আনার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

জেএইচআর

Link copied!