ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

বাণিজ্য মেলার মাঝামাঝি সময়ে বাড়ছে বেচাবিক্রি

রফিকুল ইসলাম, পূর্বাচল

রফিকুল ইসলাম, পূর্বাচল

জানুয়ারি ১৮, ২০২৬, ০৩:০৯ পিএম

বাণিজ্য মেলার মাঝামাঝি সময়ে বাড়ছে বেচাবিক্রি

ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলার মাঝামাঝি সময়ে এসে ক্রেতা-দর্শনার্থীর উপস্থিতি ও বেচাবিক্রি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। 

রোববার মেলা প্রাঙ্গণ ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। 

মেলার শুরুতে বৈরী আবহাওয়া এবং নির্ধারিত সময়ে অনেক স্টলের নির্মাণকাজ শেষ না হওয়ায় ব্যবসায়ীরা কাঙ্ক্ষিত বেচা বিক্রি পাননি। ছুটির দিন ছাড়া সাধারণ দিনে লোকসমাগমও ছিল তুলনামূলক কম। তবে সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতির উন্নতি হতে শুরু করেছে।

এবারের বাণিজ্য মেলায় পুরোনো ও পরিচিত ব্র্যান্ডের পাশাপাশি যুক্ত হয়েছে বেশ কয়েকটি নতুন ব্র্যান্ড ও প্রতিষ্ঠান। এতে দর্শনার্থীদের আগ্রহও ধীরে ধীরে বাড়ছে। বিশেষ করে গ্যাস সংকটের প্রভাবে এ মেলায় বৈদ্যুতিক চুলার চাহিদা চোখে পড়ার মতো। পাশাপাশি নিত্যনতুন ইলেকট্রনিক পণ্য ও বিকল্প রান্না ব্যবস্থার প্রতি ক্রেতাদের আগ্রহ বাড়ছে। 

মেলার গেট খোলার পরপরই প্রবেশমুখে দর্শনার্থীদের ভিড় বাড়তে দেখা যায়। অ্যানালগ ও ডিজিটাল দুই পদ্ধতিতেই প্রবেশ টিকিট সংগ্রহের সুযোগ থাকায় ভোগান্তি কিছুটা কমেছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

ক্রেতাদের প্রত্যাশা, এক ছাদের নিচে প্রয়োজনীয় পণ্য কেনার পাশাপাশি মেলা ঘোরার আনন্দ উপভোগ করা যাবে। 

ব্যবসায়ীরাও বলছেন, মেলার মাঝামাঝি সময়ে এসে লোকসমাগম ও বেচা-বিক্রি দুটোই সন্তোষজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। তবে এবার বড় বড় পুরোনো স্টলের সংখ্যা তুলনামূলক কম, নতুন ব্র্যান্ডের উপস্থিতি বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। 

রাজধানীর বারিধারা থেকে আসা দর্শনার্থী মামুন মিয়া বলেন, ইলেকট্রিক চুলায় ভালো ডিসকাউন্ট পাওয়া যাবে শুনে মেলায় এসেছি। ঘুরে দেখছি, সুবিধামতো হলে কিনব।

ভিশন প্যাভিলিয়নের সহকারী ইনচার্জ আরিফুল আমিন বলেন, আমাদের ভালো ডিসকাউন্ট চলছে। ক্রেতাদের সাড়া ভালো, বেচা বিক্রিও সন্তোষজনক। 

এদিকে বিভিন্ন স্টল ও প্যাভিলিয়নে ক্রেতাদের ভিড় বাড়লেও পণ্যের দাম নিয়ে কিছু দর্শনার্থীর অভিযোগ রয়েছে। 

উল্লেখ্য, ২৯তম ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় প্রায় চারশ কোটি টাকার কাছাকাছি রপ্তানি আদেশ পাওয়া গেলেও এ মেলায় নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা কতটা পূরণ হবে, তা দেখার বিষয়।

ইএইচ

Link copied!