ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

হাসিনা-রেহানা-টিউলিপের দুর্নীতি মামলার রায় ১ ডিসেম্বর

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

নভেম্বর ২৫, ২০২৫, ০২:১৩ পিএম

হাসিনা-রেহানা-টিউলিপের দুর্নীতি মামলার রায় ১ ডিসেম্বর

ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার বোন শেখ রেহানা, ভাগ্নি ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ সিদ্দিকসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে দায়ের করা দুর্নীতি মামলার রায় ঘোষণা করা হবে আগামী ১ ডিসেম্বর। পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে শেখ রেহানাকে অবৈধভাবে ১০ কাঠা জমি দেয়ার অভিযোগে মামলাটি করে দুদক।

মঙ্গলবার আদালতের বেঞ্চ সহকারী বেলাল হোসেন জানান, ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক মো. রবিউল আলম রাষ্ট্রপক্ষ এবং আসামিপক্ষের যুক্তিতর্কের পর এই তারিখ নির্ধারণ করেন।

মামলার সাক্ষীরা জানান, প্রধানমন্ত্রীত্বের ক্ষমতার অপপ্রয়োগ করে জালিয়াতির মাধ্যমে প্লট বরাদ্দ দিয়েছেন শেখ হাসিনা। এতে মূল আসামিদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হওয়ার সম্ভাবনা আছে বলে জানান দুদকের আইনজীবীরা।

পূর্বাচলে শেখ হাসিনা পরিবারের প্লট নেয়ার সময় নিজের পরিবারের জন্যও হাসিনার কাছে প্লটের আবদার করেন শেখ রেহানা। পরে ক্ষমতার অপব্যবহার করে রাজউককে প্লট বরাদ্দের আদেশ দেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মিথ্যা হলফনামা দিয়ে ১০ কাঠা সরকারি জমির মালিক হন রেহানা। এসব অভিযোগে ১৭ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা করে দুদক।

৩২ জনের সাক্ষ্যপ্রদানের পাশাপাশি অবৈধ নির্দেশনামা ও ভুয়া হলফনামাসহ আসামিদের বিরুদ্ধে সকল প্রমাণাদি উপস্থাপন করেন দুদকের আইনজীবীরা। মঙ্গলবার উভয়পক্ষের আইনজীবীদের যুক্তিতর্ক শেষে আগামী ১ ডিসেম্বর রায়ের তারিখ ধার্য করেন ঢাকার চতুর্থ বিশেষ জজ আদালত।

সাক্ষীদের জবানবন্দিতে উঠে আসে, মায়ের নামে প্লট বরাদ্দের জন্য তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর উপর চাপ প্রয়োগ করেন ব্রিটিশ এমপি টিউলিপ সিদ্দিক। ফলে নিজে প্লট বরাদ্দ না নিলেও মামলার একজন মূল আসামি তিনি। রায়ে হাসিনা-রেহানার পাশাপাশি টিউলিপেরও যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে বলে জানান দুদকের আইনজীবীরা।

মামলায় একমাত্র গ্রেফতার আসামি রাজউকের সাবেক কর্মকর্তা খুরশিদ আলমের আইনজীবী যুক্তিতর্কে বলেন, সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে ঊর্ধ্বতনের আদেশ পালনে বাধ্য ছিলেন তিনি।

জেএইচআর

Link copied!