ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

ভারতীয় ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে আটক বৈষম্যবিরোধী ছাত্রনেতা মাহদী

আমার সংবাদ ডেস্ক

আমার সংবাদ ডেস্ক

ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬, ০২:১৩ পিএম

ভারতীয় ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে আটক বৈষম্যবিরোধী ছাত্রনেতা মাহদী

ব্যক্তিগত কাজে ভারত যাওয়ার পর সেখান থেকে দেশে ফেরার পথে বিমানবন্দরে ভারতীয় ইমিগ্রেশন পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন হবিগঞ্জ জেলা শাখার সদস্য সচিব মাহদী হাসান।

বুধবার দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে ইন্ডিগো এয়ারলাইন্সের মাধ্যমে ঢাকার ফ্লাইট ধরতে দিল্লী বিমানবন্দরে গেলে সেখানে ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে আটক করে। তৎক্ষনাৎ তিনি হাইকমিশনের একজন কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানান। দ্য ডিসেন্ট এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানায়। 

দ্য ডিসেন্ট জানিয়েছে, ব্যক্তিগত কাজে দিল্লীতে অবস্থানকালে গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে মাহদীর অগোচরে ধারণ করা একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়। সেসব পোস্টে নাম পরিচয় উল্লেখ করে তাকে ‘জুলাইয়ের আত্মস্বীকৃত খুনি’ বলে প্রচার করে হুমকি দেয়া হচ্ছিল।

ভারতস্থ বাংলাদেশের কনসুলেটে একটি সূত্রের বরাতে দ্য ডিসেন্ট জানিয়েছে, গতকাল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হুমকির প্রেক্ষাপটে দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনের পক্ষ থেকে মাহদীর সাথে যোগাযোগ করা হয়। এরপর আজ দুপুর ১২টা ২০ মিনিটে দিল্লী বিমানবন্দরে সেখানে ইমিগ্রেশন পুলিশ তাকে আটক করে। তৎক্ষণাৎ তিনি হাইকমিশনের একজন কর্মকর্তাকে বিষয়টি জানান।

গতকাল মাহদী হাসান গণমাধ্যমকে জানান, ফিনল্যান্ডের ভিসা সংক্রান্ত কাজে দিল্লীতে ভিএফএস সেন্টারে কাগজপত্র জমা দিতে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে অজ্ঞাত এক ব্যক্তি তার ভিডিও ধারণ করে।তারপর থেকে তার মোবাইলে বিভিন্ন অপরিচিত নম্বর থেকে মেসেজ ও কল আসতে থাকে। এসব কল ও মেসেজ থেকে তিনি বুঝতে পারেন কেউ তার অজান্তে তার বর্তমান অবস্থান, মোবাইল নম্বর এবং অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্য সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করেছে। তবে কে বা কারা ভিডিওটি ধারণ করেছে এ ব্যাপারে তিনি জানতেন না বলেও জানান।

উল্লেখ্য, বছরের শুরুতে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগের ভিত্তিতে শায়েস্তাগঞ্জ সদর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি এনামুল হাসানকে আটক করেছিল থানায় নিয়ে যায় শায়েস্তাগঞ্জ থানার পুলিশ। তার মুক্তির দাবিতে মাহদী হাসানের নেতৃত্বে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) আবুল কালামের কক্ষে অবস্থান নেন। এসময় বাগবিতণ্ডার এক পর্যায়ে মাহদী হাসানকে বলতে শোনা যায়, ‘বানিয়াচং থানা কিন্তু আমরা পুড়িয়ে দিয়েছিলাম, এসআই সন্তোষকে কিন্তু আমরা জ্বালাই দিয়েছিলাম। ওই জায়গা থেকে উনি (ওসি) কোন সাহসে এটা (আন্দোলনকারী হয়েছে তো কী হয়েছে) বললেন। আমি স্ট্রিক্টলি এখানে আসছি। 

এএন

Link copied!