ফেসবুক


ইউটিউব


টিকটক

Amar Sangbad

ইনস্টাগ্রাম

Amar Sangbad

এক্স

Amar Sangbad


লিংকডইন

Amar Sangbad

পিন্টারেস্ট

Amar Sangbad

গুগল নিউজ

Amar Sangbad


হোয়াটস অ্যাপ

Amar Sangbad

টেলিগ্রাম

Amar Sangbad

মেসেঞ্জার গ্রুপ

Amar Sangbad


ফিড

Amar Sangbad

ঢাকা বৃহস্পতিবার, ০৪ জুন, ২০২৬

রমজানের আগে এলপিজি সংকটের সমাধান হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিজস্ব প্রতিবেদক

জানুয়ারি ১৫, ২০২৬, ১১:৫১ পিএম

রমজানের আগে এলপিজি সংকটের সমাধান হবে

আসন্ন রমজানের আগে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) সংকট কেটে যাবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ। 

তিনি বলেছেন, ‘বর্তমান সংকটটি সাময়িক হলেও দীর্ঘ মেয়াদে বাজার স্থিতিশীল রাখতে একটি সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা জরুরি।’

বৃহস্পতিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে এনার্জি অ্যান্ড পাওয়ার ম্যাগাজিন আয়োজিত ‘এলপিজি বাজারে নিয়ন্ত্রক চ্যালেঞ্জ’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন। আলোচনাটি সঞ্চালনা করেন ম্যাগাজিনের সম্পাদক মোল্লা আমজাদ হোসেন। 

জালাল আহমেদ বলেন, ‘দেশে কত পরিমাণ এলপিজি আমদানি হচ্ছে, সে বিষয়ে আমদানিকারকদের কাছ থেকে পূর্ণাঙ্গ তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না। এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (লোয়াব) কাছ থেকে পরিবেশকদের তালিকা চাওয়া হলেও অর্ধেক সদস্য তা দেননি। এতে করে বাজার পরিস্থিতি মূল্যায়ন ও দাম নির্ধারণে জটিলতা তৈরি হচ্ছে।’

বিইআরসি চেয়ারম্যান জানান, আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা, বৈশ্বিক বাজার পরিস্থিতি এবং বড় ক্রেতাদের আধিপত্যের কারণে সাম্প্রতিক মাসগুলোতে এলপিজি আমদানি কমে গেছে। 

মূল প্রবন্ধে ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশের (আইইউবি) ভাইস চ্যান্সেলর ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড. ম. তামিম বলেন, ‘দেশে এলপিজির সংকট নতুন নয়, তবে সাম্প্রতিক সময়ে তা আরও গভীর হয়েছে। পাইপলাইনের গ্যাস না থাকায় এলপিজির ওপর নির্ভরতা দ্রুত বাড়ছে। বর্তমানে প্রায় ২০ লাখ গ্রাহক থাকলেও অল্প সময়ের মধ্যেই তা ৩৫ লাখে পৌঁছাবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘একাধিক সংস্থার নিয়ন্ত্রণ, জটিল লাইসেন্সিং ও উচ্চ ফি এলপিজি খাতের বড় বাধা। নিয়ন্ত্রণমূলক নয়, নিরাপত্তাভিত্তিক নিয়ন্ত্রক ব্যবস্থার প্রয়োজন রয়েছে।’ 

ভোক্তা অধিকার সংগঠন কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের সভাপতি এএইচএম শফিকুজ্জামান বলেন, ‘এলপিজিকে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য ঘোষণা না করলে বাজার নিয়ন্ত্রণ সম্ভব নয়। নির্ধারিত দামে এলপিজি পাওয়া যাচ্ছে না এ ব্যবধান কোথায় হচ্ছে তা খুঁজে বের করা জরুরি।’

লোয়াবের সভাপতি আমিনুল হক বলেন, ‘লাইসেন্সিং প্রক্রিয়া, উচ্চ নবায়ন ফি ও কার্গো খালাসের সীমাবদ্ধতা দূর না হলে সংকট কাটবে না। নতুন বিনিয়োগও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।’

 এ সময় জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের যুগ্ম সচিব একেএম ফজলুল হক, পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক শামসুজ্জামান সরকার, পেট্রোবাংলার সাবেক পরিচালক আলী ইকবাল মোহাম্মদ নুরুল্লাহ, বিস্ফোরক অধিদপ্তরের প্রধান পরিদর্শক মো. আবুল হাসান, জেএমআই গ্রুপের চেয়ারম্যান আবদুর রাজ্জাক ও যমুনা স্পেস-টেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বেলায়েত হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

Link copied!