Amar Sangbad
ঢাকা শনিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২২, ২৯ শ্রাবণ ১৪২৯

চলতি বছরের শেষে কমিশন গঠন

বঙ্গবন্ধু হত্যার ষড়যন্ত্রকারীদের খুঁজতে কমিশনের রূপরেখা প্রস্তুত: আইনমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

আগস্ট ১৩, ২০২২, ০৮:১৪ পিএম


বঙ্গবন্ধু হত্যার ষড়যন্ত্রকারীদের খুঁজতে কমিশনের রূপরেখা প্রস্তুত: আইনমন্ত্রী

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যায় জড়িত ষড়যন্ত্রকারীদের খোঁজার বিষয়ে কমিশন গঠন চলতি বছরের শেষ নাগাদ চূড়ান্ত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

তিনি জানান, এরই মধ্যে কমিশনের রূপরেখা প্রস্তুত করা হয়েছে, সেটি প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হলে তিনি প্রয়োজনীয় সংশোধন করে চূড়ান্ত করবেন।

শনিবার (১৩ আগস্ট) রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় আয়োজিত কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্য শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

‘এস্টাবলিশ পাইলট প্রসেস টু ক্লাসিফাই কেসেস ইন কনসালটেশন উইথ দ্য জাজেস অব দ্য লেবার কোর্টস উইথ আ ভিউ টু অ্যাড্রেসিং কেস ব্যাকলগস’ শিরোনামে এই কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

কমিশনের অগ্রগতির বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘ষড়যন্ত্রকারীদের খোঁজার বিষয়ে কমিশনের রূপরেখা তৈরি করেছি। এখন কমিশন গঠন ও এর কার্যপ্রণালী নির্ধারণের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া জরুরি। আপনারা জানেন, কোভিড যায় যায় করেও যাচ্ছে না, বর্তমান বৈশ্বিক অবস্থাও অনুধাবন করছেন। 

এখানে অর্থনৈতিক বিষয়েও কিছু সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে। সেজন্য কমিশনের রূপরেখার বিষয়ে নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়ে উঠছে না। আশা করছি কিছুদিনের মধ্যে আলোচনায় বসতে পারবো। এই বছর নাগাদ আমরা হয়তো কমিশন চালু করতে পারবো।’

কমিশনের একটি রূপরেখা প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হবে বলেও জানান আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘পরে প্রধানমন্ত্রী প্রয়োজনে সংযোজন-বিয়োজনের মাধ্যমে বিষয়টি চূড়ান্ত অনুমোদন করবেন।’

মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর খুনিদের ফিরিয়ে না আনা পর্যন্ত আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। আওয়ামী লীগ সরকার ছাড়া অন্যান্য সরকার ক্ষমতায় থাকার কারণে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের ফিরিয়ে আনতে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। সেই সমস্যাগুলো একটা একটা করে শেষ করতে হচ্ছে। সেজন্য তাদের তাড়াতাড়ি ফিরিয়ে আনা যাচ্ছে না।

তিনি বলেন, ‘সরকার ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলা মামলাকেও অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে দেখছে। কারণ, এই মামলা ১৪ বছর পর নিম্ন আদালতে নিষ্পত্তি হয়েছে। এখন এটি উচ্চ আদালতে তড়িৎ শুনানি করে এর পরিসমাপ্তি ঘটানো হবে।’

শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. সেলিনা আক্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মন্নুজান সুফিয়ান, শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. ফারুক, অ্যাটর্নি জেনারেল এএম আমিন উদ্দিন, আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সচিব মো. মইনুল কবির, আইন ও বিচার বিভাগের সচিব মো. গোলাম সারওয়ার, আইএলও বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর টুমো পোটিআইনেন প্রমুখ বক্তৃতা দেন।


আমারসংবাদ/টিএইচ