Amar Sangbad
ঢাকা শুক্রবার, ০১ মার্চ, ২০২৪,

সাংবাদিক তেপান্তরকে নিষিদ্ধের প্রতিবাদ

কাজী হায়াৎ ও শাহীন সুমনকে ক্ষমা চাইতে ৪৮ ঘন্টার আল্টিমেটাম

বিনোদন প্রতিবেদক

বিনোদন প্রতিবেদক

মে ২৩, ২০২৩, ০৭:০৬ পিএম


কাজী হায়াৎ ও শাহীন সুমনকে ক্ষমা চাইতে ৪৮ ঘন্টার আল্টিমেটাম

চলচ্চিত্রবান্ধব জনপ্রিয় চিত্র সাংবাদিক আহমেদ তেপান্তরকে পরিচালক সমিতি কর্তৃক সমিতির আঙ্গিনায় নিষিদ্ধ করায় সকল সাধারণ বিনোদন সাংবাদিকরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জা অনতিবিলম্বে এই নিষোধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে কাজী হায়াৎ-শাহীন সুমন গংদের নিঃশর্ত ক্ষমা চাওয়ার আহবান জানান বিভিন্ন প্রিন্ট, ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া ও অনলাইন নিউজ পোর্টালে কর্মরত দেশের সকল বিনোদন সাংবাদিক।
এ ঘটনায়  নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে  বিনোদন সংবাদিকদের সংগঠন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতির (বাচসাস)।
এক বিজ্ঞপ্তিতে বিনোদন সাংবাদিকদের সংগঠন জানিয়েছে, এ ব্যাপারে অবিলম্বে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার ও লিখিতভাবে ক্ষমা না চাইলে উল্টো পরিচালক সমিতিকেই বয়কট করা হবে।
তথ্য মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বিনোদন সংবাদিকরা বলেন, কেপিআইভুক্ত এলাকায় সরকারি জায়গায় চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতি অস্থায়ী অফিস নিয়ে কোনো সাংবাদিককে বয়কট করতে পারে না। কাউকে বয়কট করতে হলে বিএফডিসির বাইরে অফিস নিয়ে তাদের নিজেদের আঙ্গিনা এমন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। 

সাংবাদিকরা জানান, বিএফডিসিতে সমিতির সংখ্যা নেহায়াতই কম নয়। বিএফডিসিতে রয়েছে ১৯টি চলচ্চিত্র সংগঠন। যার মধ্যে রয়েছে চলচ্চিত্র শিল্পী, পরিচালক ও চলচ্চিত্র প্রযোজক নামে তিনটি সমিতি। চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট যে কোনো সমস্যা সমাধানে কাজ করে বিএফডিসিতে থাকা সমিতিগুলো। তবে গেলো কয়েক বছরে সমস্যা সমাধানের থেকে শিল্পী, তারকা ও কলাকুশলীদের বয়কট ও নিষেধাজ্ঞা দেয়ার প্রবণতাই বেশি দেখা গেছে চলচ্চিত্রের সংগঠনগুলোতে। যা নিয়ে হয়েছে বিতর্ক।

গেলো ছয় বছর ধরেই বিএফডিসিতে চলছে সমিতিগুলোর বয়কট বয়কট খেলা। ২০১৭ সালে চলচ্চিত্রের সকল সংগঠন মিলে বয়কট করে চিত্রনায়ক শাকিব খানকে। এরপর মিশা সওদাগর, জায়েদ খানসহ একাধিক শিল্পী কলাকুশলীকে বয়কট করেছে সমিতিগুলো। যার সবশেষ সংযোজন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সাংবাদিক সমিতির দপ্তর সম্পাদক আহমেদ তেপান্তরের ওপর নিষেধাজ্ঞা। 
চলতি মাসের ১৬ তারিখ সভা করে আহমেদ তেপান্তর বিরুদ্ধে পরিচালক সমিতির মহাসচিবের সঙ্গে অসদাচারণের অভিযোগ এনে তাকে বয়কটের ঘোষণা দেওয়া হয়।  যা ১৮ মে বিজ্ঞপ্তি আকারে প্রকাশ করে সংগঠনটি।
প্রশ্ন উঠেছে, বিএফডিসিতে থাকা পরিচালক সমিতির কার্যক্রম নিয়েও। সাংবাদিক মহলের দাবি, গেলো কয়েক বছর ধরে চলা চলচ্চিত্রের সংগঠনগুলোর এমন কর্মকাণ্ড চলচ্চিত্রের উন্নয়নে বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। মানুষের কাছে পুরো চলচ্চিত্র অঙ্গনকে হাঁসির পাত্র বানানো হচ্ছে। সেই সঙ্গে বিএফডিসিতে চলচ্চিত্রের শুটিং কম এবং সমিতিগুলোর চলচ্চিত্রের বাইরের কার্যক্রমই বেশি দেখা যাচ্ছে। 
অনেক সাংবাদিকদের মতে, চলচ্চিত্রে সমিতিগুলো না থাকলে চলচ্চিত্রের আরও উন্নয়ন হতো, বিএফডিসিতে শুটিং এর সংখ্যা বাড়তো।

সোহাগ/আরএস

Link copied!