Amar Sangbad
ঢাকা বুধবার, ০৬ জুলাই, ২০২২, ২২ আষাঢ় ১৪২৯

ছেলে হত্যার বিচারের দাবিতে প্রেসক্লাবে মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক

জুন ২০, ২০২২, ০৬:১৫ পিএম


ছেলে হত্যার বিচারের দাবিতে প্রেসক্লাবে মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী

ছেলে হত্যার বিচার চেয়ে জাতীয় প্রেসক্লাবে মানববন্ধন করেছেন মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী রাদিয়া রিন্তি বিপুল। ছেলে বখতিয়ার উদ্দিন প্রিন্সকে খুন করা হয়েছে দাবি করে সুষ্ঠু বিচারের জন্য প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আর্কষণ করেছেন তিনি। 

সোমবার (২০ জুন) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে এ দাবি জানানো হয়। হত্যাকাণ্ডের শিকার মোঃ বখতিয়ার উদ্দিন প্রিন্স মূলাদী উপজেলায় বাটামারা ইউনিয়ন আলীমাবাদ গ্রামের কমান্ডার কুতুব উদ্দিন এর ভাই বীর মুক্তিযোদ্ধা ফরিদ উদ্দিনের বড় ছেলে মানববন্ধনে জানানো হয়। 

নিহতের মা রাদিয়া রিন্তি বিপুল বলেন তিনি একজন বীরমুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী। তার একমাত্র পুত্র বখতিয়ার উদ্দিন প্রিন্সকে সম্পদের লোভে পরিকল্পিত ভাবে গত ১৯ এপ্রিল  পবিত্র রমজান মাসে রাতের অন্ধকারে হত্যা করিয়া তার লাশ ঘরের আড়ার সাথে ঝুলাইয়া রাখে খুনিরা।  

এই খুনিরা একই পরিবারের সদস্য. তার স্বামীর প্রথম স্ত্রী হোসনেয়ারা বেগম, তাহার ছেলে মেয়ে জামাই এবং তার ভাসুরের ছেলে-মেয়ে । খুনিরা এলাকায় বিভিন্ন অপরাধ ও মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত। তাদের নামে অনেক মামলাও রয়েছে। তার স্বামী মারা যায় ২০২১ সালের জুন মাসে । তার স্বামীর মৃত্যুর পর সরকার কর্তৃক একটি ঘর তার ছেলের নামে বরাদ্ধ হয়। তার স্বামীর মৃত্যুর পর হইতেই আসামিরা তার  স্বামীর সকল সম্পত্তি থেকে তাকেও ছেলেকে বঞ্চিত করার উদ্দেশ্যে ষড়যন্ত্র করতে থাকে। ঘটনার কিছুদির পূর্ব থেকে আসামীরা তার ছেলে সাথে খারাপ ব্যবহার করতে থাকে শুরু  করে এবং বিভিন্ন প্রকার ভয় ভীতি এমনকি প্রান নাশের হুমকি ধমকি দেয়। তার দৃঢ় বিশ্বাস যে, আসামিরা তার ছেলেকে তাহার পিতার সম্পত্তি হইতে বঞ্জিত করার উদ্দেশ্যে হত্যা করিয়া গোপন করিবার উদ্দেশ্যে গলায় রশি পেচাইয়া তাহার শোবার কক্ষে রুয়ার সাথে ঝুলাইয়া রাখিয়া আত্মহত্যা বলিয়া প্রচার করেছে ।

তিনি আরো বলেন , আসামীরা ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছে। সুষ্ঠু তদন্ত হলে ঘটনার আসল রহস্য উদঘাটিত হবে। 

তিনি বলেন থানায় মামলা করতে গিয়া ব্যর্থ হয়ে বিজ্ঞ আদালতে মামলা করেন। কিন্তু খুনিরা মামলাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার জন্য টাকার বিনিময়ে পোষ্ট মটেম রিপোর্ট নিজেদের পক্ষে নিয়ে থানাকে ম্যানেজ করে মামলা হতে অব্যহতি পাওয়ার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে সেই সাথে তাকে গ্রামে গেলে আমাকে হত্যার হুমকি দিচ্ছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে লক্ষকরে তিনি বলেন আপনি স্বজন হারার বেদনা বুঝেন। তার স্বামীর মৃত্যুর পর হতে এক মাত্র সন্তানকে নিয়ে কোন রকম বেচে ছিলেন। 

এখন সন্তান হারিয়ে পাগল প্রায় , একজন মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী হিসেবে, সন্তান হারা মা হিসেবে একটাই দাবী  খুনের সুষ্ঠ তদন্ত করে, তার সন্তানের খুনী, মোঃ ইখতিয়ার উদ্দিন যুবরাজ, মোঃ শাখাওয়াত হোসেন, টোটন হাওলাদার, হোসনে আরা বেগম, সানজিদা ফরিদ টুনি, ফাহমিদা ফরিদ সনি, সাদিয়া ফরিদ মনি, রায়হান, ইয়াসমিন বেগম গং সহ সকল খুনিদের বিচার করে ফাঁসি দিন।