Amar Sangbad
ঢাকা বুধবার, ০৬ জুলাই, ২০২২, ২২ আষাঢ় ১৪২৯

পদ্মা সেতু

আঞ্চলিক উন্নয়নে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা ও কৌশল নেয়া জরুরি

দে লো য়া র  জা হি দ

দে লো য়া র জা হি দ

জুন ২০, ২০২২, ০৩:৫৫ পিএম


আঞ্চলিক উন্নয়নে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা ও কৌশল নেয়া জরুরি

বাংলাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থায় একটা বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসছে ২৫ জুন স্বপ্নের পদ্মা সেতু উদ্বোধন এর মাধ্যমে। দেশের চারটি প্রধান সেতু বঙ্গবন্ধু সেতু, লালন শাহ সেতু ও ভৈরব সেতুর সংযোগ তৈরি করছে যে পদ্মা সেতু। 

সে সেতু নির্মাণের মহাযজ্ঞ কখন শেষ হবে আদো তা শেষ হবে কিনা এরূপ এক উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা, গুজব ও দেশ বিদেশে অপপ্রচারের মধ্যে স্বাধীনতা অর্জনের পর এক মহান ও বড় বিজয়ের মতো বিধাতার অপার মহিমায় বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং নির্মাণ প্রকল্প হিসেবে বিবেচিত পদ্মা সেতুর  উদ্বোধন হবে. পদ্মা বহুমুখী সেতু চালু হলে বাংলাদেশের জিডিপি ১.২ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে বলে ভবিষ্যদ্বাণী করছেন বোদ্ধামহল। 

পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত এ সড়ক ও নির্মাণাধীন রেল সেতু দেশের উত্তর-পূর্ব অঞ্চলের সঙ্গে দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চলকে যুক্ত করার মাধ্যমে দ্বিখণ্ডিত বাংলাদেশকে একই সুতায় বেঁধেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেতু তৈরিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, সচিব এবং সকল স্তরের কর্মীদের ঐতিহাসিক ভুমিকাকে বাঙালি জাতি কৃতজ্ঞতা ও বিনম্র শ্রদ্ধায় স্মরণ করবে।

পদ্মা সেতু সারা দেশের মধ্যে একটা সরাসরি যোগাযোগ স্থাপন করবে। যোগাযোগের ক্ষেত্রে অপূর্ণতা কমে আসবে। এর মাধ্যমে দেশকে একটি অন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে। পদ্মা সেতু ভৌগলিকভাবে খণ্ডিত বাংলাদেশকে একসঙ্গে করেছে বলে মনে করেন যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ বাংলাদেশ
প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. শামসুল হক।  

তিনি প্রথম আলো উত্তর আমেরিকাকে বলেন, পদ্মা সেতু স্টিল ও কংক্রিটের সেতু। যাকে কম্পোজিট সেতু বলা হয়। পদ্মা ও যমুনা নদীর জন্য আমাদের এই দেশ দুই ভাগে বিভক্ত ছিল। পদ্মা সেতু সেই বিভক্তি দূর করেছে।

রাষ্ট্রের অখণ্ডতার জন্য পদ্মা সেতু ভীষণ জরুরি ছিল। বাংলাদেশের চারটি প্রধান সেতুর সংযোগ তৈরি করার মাধ্যমে পুরো দেশের যোগাযোগব্যবস্থায় একটা বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনা সম্ভব বলে মনে করেন ড. আইনুন নিশাত। (প্রথম আলো উ. আ) 

পদ্মা বহুমুখী সেতু বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সেতু, বাংলাদেশের মানুষের স্বপ্নের সেতু, শুধু সেতুই নয়, প্রোজ্জ্বল এক স্বপ্ন, ‘পদ্মা সেতু নির্মাণের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ৫০ বছর এগিয়ে গেল’, পদ্মা সেতু : দেশের ‘আইকনিক স্থাপনা’ ‘স্বপ্নের পদ্মা সেতু’ আমাদের আরো বড় স্বপ্ন দেখায়, ও পদ্মা সেতু: সাহসিনী শেখ হাসিনা এমনসব শিরোনামে সম্পাদকীয়, উপসম্পাদকীয় ও নিবন্ধ প্রকাশ হয়েছে এবং আরো হচ্ছে বা হবে এটাই স্বাভাবিক।

 কিন্তু আমি একজন বঙ্গবন্ধুর স্নেহধন্য যুদ্ধা হিসেবে, ভৌগলিকভাবে খণ্ডিত একটি দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম- উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের বৈষম্যপূর্ণ চিত্রকে যেন স্ফটিক পরিষ্কার দেখতে পাই। পদ্মা সেতু উৎসবের এ মহাযজ্ঞে বঙ্গবন্ধুর চিন্তা, চেতনা, উন্নয়ণ ও রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির আলোকে ভবিষৎ কোনো কর্মপরিকল্পনা ও কৌশলের অভাব এখানে পরিস্ফুট হচ্ছে। 

দেখা গেছে আঞ্চলিক এলাকাগুলো উন্নত বিশ্বের অর্থনৈতিক উন্নয়নে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে চলেছে। উদাহরণ স্বরূপ, অস্ট্রেলিয়ায়, আঞ্চলিক অঞ্চলগুলি প্রধানত পর্যটন, কৃষি এবং সম্পদ খাতের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে।  অবদান রাখে রপ্তানি আয়ে, অবদান রাখে আঞ্চলিক ও সামগ্রিক অর্থনীতিতে।  যদিও আঞ্চলিক অসামঞ্জস্যতা যা উন্নত বিশ্ব জুড়ে ও বিদ্যমান এবং এর কারণ হলো কিছু অঞ্চল ধারাবাহিকভাবে কম পারফরম্যান্স করে, স্বল্প অর্থনৈতিক কার্যকলাপ, উচ্চ বেকারত্ব এবং উচ্চ আর্থসামাজিক পশ্চাৎপদতা। ক্রমবর্ধমান আঞ্চলিক অস্বাভাবিকতা মোকাবেলায় এমনকি উন্নত দেশগুলোতেও রয়েছে আঞ্চলিক উন্নয়নে সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা। 

কানাডায় আঞ্চলিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন সংস্থা, সাউদার্ন অন্টারিওর জন্য ফেডারেল ডেভেলপমেন্ট এজেন্সি (FedDev) প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। অর্থনৈতিক নীতির ল্যান্ডস্কেপে যা একটি সময়োপযোগী সংযোজন। কানাডিয়ান আঞ্চলিক অর্থনৈতিক উন্নয়নের ইতিহাসের বিশ্লেষণের উপর ভিত্তি করে আঞ্চলিক নীতির মূল্য সম্পর্কে সংশয়বাদের পটভূমিতে ফেডডেভ আবির্ভূত হলেও এ বিষয়ে একটি গবেষণাপত্র কীভাবে ফেডারেল সরকার তার প্রাদেশিক এবং স্থানীয় অংশীদারদের সাথে কৌশলগতভাবে এবং সহযোগিতামূলকভাবে কাজ করতে পারে তার একটি বিকল্প ধারণা প্রদান করেছে। দক্ষিণ অন্টারিওর জন্য স্থান-ভিত্তিক, উদ্ভাবন-চালিত অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য একটি নতুন পদ্ধতির তালিকাও তৈরি করা হয়েছে। 

উন্নত আধুনিক বাংলাদেশকে শুধুমাত্র সক্ষমতার আওয়াজ দেয়া নয় বরং একটি রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করতে হবে উদ্ভোদনের মহাযজ্ঞের দিনে। দেশের দক্ষিণাঞ্চলের আর্থ-সামাজিক প্রেক্ষাপট বদলে দিচ্ছে এ সেতু যা দেশের সার্বিক অর্থনীতিকে সবল ও শক্তিশালী করে তুলবে। গণমাধ্যমের প্রচার প্রচারণায় এ অঞ্চলের মানুষ এখন স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছে। বহুক্ষেত্রে গোটা দক্ষিণাঞ্চলের চেহারা ইতোমধ্যে বদলে যেতে শুরু করেছে। যদিও সরকারি নীতি নির্ধারণী কোনো বক্তব্য এখনো তেমনভাবে চোখে পড়েনি।

বাংলাদেশের একটি আঞ্চলিক উন্নয়ন কৌশল প্রয়োজন যা সামগ্রিকভাবে উন্নয়ন সম্ভাবনা নির্মাণের লক্ষ্য এবং উপকরণগুলিকে সংজ্ঞায়িত করে , আঞ্চলিক উন্নয়নে বৈষম্য কমাতে অবদান রাখযে এবং বৃহত্তর প্রতিযোগিতামূলকতার দিক থেকে পিছিয়ে থাকা দেশের এ অংশগুলির সম্ভাবনাকে আরো বৃদ্ধি করবে। দেশের আঞ্চলিক উন্নয়নে ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা ও কৌশল নিয়ে আমাদের এখনই ভাবতে হবে।

পদ্মা সেতুকে ঘিরে কিছু স্বল্প ও দীর্ঘ মেয়াদি পরিকল্পনা নেয়া জুরুরি। কৌশলগত পরিকল্পনা প্রক্রিয়ার জন্য একটি অভিযোজিত পদ্ধতিকে গ্রহণ করা যায়। এর চারটি মান রয়েছে যেমন আউটপুটগুলি নিয়ে ফলাফলের উপর ফোকাস করা এবং স্বাচ্ছন্দ্যের উপর শেখা।

যদিও সঠিক পরিকল্পনা প্রক্রিয়া দল থেকে দলে পরিবর্তিত হতে পারে, আমরা দেখেছি যে এ মানগুলির প্রথম সারিবদ্ধকরণ আরও সামঞ্জস্যপূর্ণ ফলাফলের দিকে নিয়ে যেতে পারে। মাঠ গবেষণা ও এসকল কাজের জন্য ক্রমবর্ধমান একটি বাজেট প্রয়োজন। প্রকল্পের লক্ষ্যগুলির মতোই, বাজেটগুলি প্রায়শই অনুমান করে যদিও নির্ধারিত হয়—এবং যত বেশি পরীক্ষামূলক বা দীর্ঘমেয়াদী বাজেট হবে, ততই সঠিক অনুমান করার সম্ভাবনা কমে যাবে।  

বিশ্ব, জাতীয় এবং আঞ্চলিক পর্যায়ে বিদ্যমান সময়ে অর্থনৈতিক মেরুকরণ হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যা অর্থনৈতিক কার্যকলাপকে  অত্যন্ত স্থানিকভাবে কেন্দ্রীভূত ও নিয়ন্ত্রণ করে। বিশ্বের দ্রুত বর্ধনশীল এবং একক বৃহত্তম শিল্পগুলির মধ্যে একটি হলো পর্যটন। বৈশ্বিক পাশাপাশি ব্যক্তিগত দৃষ্টিকোণে পর্যটন শিল্পের অবদান সত্যিই আশ্চর্যজনক।  বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের প্রধান উৎস হিসেবে পর্যটনের ওপর নির্ভরশীল বিশ্বের অনেক দেশ পদ্মা সেতুকে ঘিরেও হতে পারে এমন শিল্প। বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রতীক পদ্মা সেতু চালুর আগেই দেশের ক্রম সম্প্রসারণমাণ পর্যটন খাতটি  সচল হয়ে উঠেছে। 

সেতুকেন্দ্রিক পর্যটন শিল্প বিকাশে ব্যাপক পরিকল্পনা নেয়ার সম্ভাবনা ও রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিয়েছেন পর্যটন গুরুত্ব কাজে লাগাতে পরিকল্পিত উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়ে। পর্যটন শিল্প বিকাশে সরকারি আর বেসরকারি পর্যায়ে পর্যটনের উদ্যোক্তারাও বড় স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে আসছেন।  

পদ্মার দুই পারে সিঙ্গাপুর ও চীনের সাংহাই নগরের আদলে স্যাটেলাইট সিটি গড়ে তোলার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। সেতুকে ঘিরে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও কনভেনশন সেন্টারও গড়ে উঠবে এমন আশাবাদ ও রয়েছে জনমনে। ইতোমধ্যে গড়ে ওঠা আবাসন প্রকল্পগুলোকে আরো দৃষ্টিনন্দন ও আকর্ষণীয় করার ভাবনা রয়েছে। তাছাড়া সুপরিকল্পিতভাবে আধুনিক মানের হোটেলমোটেল রিসোর্ট গড়ে তোলার কথাও বলা হচ্ছে। এসব দৃষ্টিনন্দন অবকাঠামো, স্থাপনা, আবাসন পর্যটন খাতের চেহারা পাল্টে দেবে এমনটি দাবি গণমাধ্যমের।

বিশ্ব, জাতীয় এবং আঞ্চলিক পর্যায়ে বিদ্যমান সময়ে অর্থনৈতিক মেরুকরণ হলো এমন একটি প্রক্রিয়া যা অর্থনৈতিক কার্যকলাপকে  অত্যন্ত স্থানিকভাবে কেন্দ্রীভূত ও নিয়ন্ত্রণ করে। বাংলাদেশের উন্নয়নের প্রতীক পদ্মা সেতু চালুর আগেই দেশের ক্রম সম্প্রসারণমাণ পর্যটন খাতটি  সচল হয়ে উঠেছে। 

সেতুকেন্দ্রিক পর্যটন শিল্প বিকাশে ব্যাপক পরিকল্পনা নেয়ার সম্ভাবনা ও রয়েছে। বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দিয়েছেন পর্যটন গুরুত্ব কাজে লাগাতে পরিকল্পিত উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়ে। পর্যটন শিল্প বিকাশে সরকারি আর বেসরকারি পর্যায়ে পর্যটনের উদ্যোক্তারাও বড় স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে আসছেন। পদ্মার দুই পারে সিঙ্গাপুর ও চীনের সাংহাই নগরের আদলে স্যাটেলাইট সিটি গড়ে তোলার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। সেতুকে ঘিরে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ও কনভেনশন সেন্টারও গড়ে উঠবে এমন আশাবাদ ও রয়েছে জনমনে। 

ইতোমধ্যে গড়ে ওঠা আবাসন প্রকল্পগুলোকে আরো দৃষ্টিনন্দন ও আকর্ষণীয় করার ভাবনা রয়েছে। তাছাড়া সুপরিকল্পিতভাবে আধুনিক মানের হোটেলমোটেল রিসোর্ট গড়ে তোলার কথাও বলা হচ্ছে। এসব দৃষ্টিনন্দন অবকাঠামো, স্থাপনা, আবাসন পর্যটন খাতের চেহারা পাল্টে দেবে এমনটি দাবি গণমাধ্যমের। পদ্মা বহুমুখী সেতু হল বাংলাদেশের নির্মাণাধীন গঙ্গার প্রধান শাখা পদ্মা নদীর উপর একটি বহুমুখী সড়ক-রেল সেতু যা শরীয়তপুর এবং মাদারীপুরের সাথে সংযুক্ত, দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম, উত্তর ও পূর্বাঞ্চলের সাথে সংযুক্ত করছে এ সেতু।  

পদ্মা বহুমুখী সেতু বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং নির্মাণ প্রকল্প হিসেবে বিবেচিত এবং একটি সময়ের পথ পরিকল্পনায় তা বাস্তবায়িত হচ্ছে। এমন অর্থনৈতিক নীতির ল্যান্ডস্কেপে একটি সময়োপযোগী সংযোজন হতে পারে পদ্মা বিভাগ ডেভেলপমেন্ট এজেন্সি বা কতৃপক্ষ নামে, একটি নতুন সংস্থা হিসাবে, জাতীয় নেটওয়ার্ক এবং অর্থনৈতিক ও সম্প্রদায় উদ্ভাবনকে সমর্থন করার জন্য একটি নীতি আদেশ বা আইন দিয়ে দিয়ে সজ্জিত, আঞ্চলিকভাবে স্থানীয় অংশীদারদের সাথে স্থান-ভিত্তিক, উদ্ভাবন-চালিত নতুন উন্নয়ণ পদ্ধতির তালিকা তৈরি করতে ও কৌশলগতভাবে এবং সহযোগিতামূলকভাবে সরকারের সাথে মিলে বা অংশ হয়ে কাজ করতে পারে।

পদ্মা সেতুর সুবিধাভোগী এলাকাগুলো অর্থনৈতিক শক্তিঘর হয়ে উঠবে। যাইহোক, সাম্প্রতিক বছরগুলি নানা জটিলতা এবং কিছু বড় আকারের চ্যালেঞ্জ সরকার মোকাবেলা করেছে এবং এখনো করছে। বিশ্বব্যাপী আর্থিক সংকট, মহাদেশীয় মুক্ত বাণিজ্য, রাশিয়া-ইউক্রেন যোদ্ধ এবং একটি অস্থির মুদ্রা বিনিময় হার সবই বাংলাদেশকে প্রভাবিত করছে। 

পদ্মা সেতুকে ঘিরে, পদ্মা সেতুকে নিয়ে প্রথাগত উৎপাদন ও সম্পদ শিল্প গড়া এবং তাদের উপর নির্ভরশীল শ্রমিক ও সম্প্রদায়ের জন্য উন্নত জীবন ব্যবস্থা গড়ে তুলা সময়ের দাবি। এ  অঞ্চলের জন্য বিস্তৃত-ভিত্তিক, টেকসই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে নেতৃত্বের ভূমিকা পালন করতে পারে এমন সম্ভাবনাকে জাগিয়ে তুলতে হবে।

(লেখক : সিনিয়র রিসার্চ ফ্যাকাল্টি মেম্বার, প্রাবন্ধিক ও রেড ডিয়ার (আলবার্টা, কানাডা ) নিবাসী)