Amar Sangbad
ঢাকা বুধবার, ০৭ ডিসেম্বর, ২০২২, ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৯

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে বাদ পড়া মুক্তিযোদ্ধা তালিকাভুক্তির দাবি

দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি

দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি

নভেম্বর ২৩, ২০২২, ০৪:১৪ পিএম


কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে বাদ পড়া মুক্তিযোদ্ধা তালিকাভুক্তির দাবি

১৯৭১ সালে বঙ্গবন্ধুর ডাকে সাড়া দিয়ে স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করার জন্য ভারতের নদিয়া জেলার শিকারপুর রিসিপশন ক্যাম্পে ভর্তি হই। বেশ কয়েক দিন কাটানোর পর রিক্‌রটিং করে জমশেরপুর ইষুধ ক্যাম্পে নিয়ে যাওয়া হয় এবং সেখানে আমরা ৩ মাস কয়েক দিন ট্রেনিং করি। আমাদের বেসিক ট্রেনিক শেষ হওয়ার শেষ দিকে বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে। ক্যাম্প প্রশাসন নিজ মাতৃভূমিতে ফিরে আসার জন্য আমাদের প্রত্যেককে একটি করে সনদ পত্র প্রদান করেন এবং নিজ দেশে ফিরে আসার জন্য হুকুম প্রদান করেন।

উল্লেখ্য, যারা উতর প্রশিক্ষনের জন্য বিহার বীরভূম ও অন্যান্য ক্যাম্পে ছিল তারা ও আমরা এক সঙ্গে দেশে ফিরে আসি- তৎকালিন থানা সার্কেল অফিসার সাহেব পর পর ২ মাস আমাদের সন্মানী ভাতা প্রদান করেন পরবর্তীতে যারা উচ্চতর প্রশিক্ষ অবস্থায় থেকে ফিরে আসে তাদের গেজেট ভুক্ত করা হয় কিন্তু আমাদের অদ্যাবধি কিছুই করা হয়নি।

ভারত হতে প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা যারা মুজিব বাহিনী নামে পরিচিত ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নির্দেশ অনুযায়ী বাংলাদেশের অভ্যন্তরে দৌলতপুর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে কিছু সংখ্যক লোক প্রশিক্ষন দেন। প্রশিক্ষন প্রাপ্ত হয়ে মুক্তি যোদ্ধাদের সহিত বিভিন্ন যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। দেশ স্বাধীনতা লাভ করার পর কুষ্টিয়া মিলিশিয়া ক্যাম্পে অবস্থান করে এবং নিজ নিজ কমান্ডারের নির্দেশ অনুযায়ী তাদের ব্যবহৃত অস্ত্র গোলাবারুদ জমা দেয় এবং জমা কারি অস্ত্র জমার রশিদ এবং আতাউল গনি ওসমানির স্বাক্ষরিত সনদ প্রদান করেন এবং পরবর্তিতে তাতিন) মাসের ভাতা পর্যায়ক্রমে প্রদান করেন উল্লেখ্য মুজিব বাহিনীর সদস্য যারা প্রশিক্ষক হিসাবে দায়ীত্ব পালন করেছিলেন। তারা বলতেন আমাদের ও তোমাদের পরবর্তিতে মান একই রকম হবে।

বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মহানুভবতায় আমাদের মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি প্রদান করার জন্য ২০১৪ সালে অনলাইনে আবেদন করার জন্য প্রজ্ঞাপন জারী করেন। তার পরিপ্রেক্ষিতে জামুকার সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে দৌলতপুর থানার বাহিরে এক জন কে দায়িত্ব ২০১৭ সালে দিয়ে যাচাই বাছাই কমিটি গঠন করে এক প্রহসনের খাচাই বাছাই হয় আমরা স্বাধীনতা যুদ্ধে কোন আবদান রাখি নাই এমন একটা জঘন্য মিথ্যাচার লিখনি উচ্চতর কর্মকর্তার দপ্তরে প্রেরণ করে যাহাতে আমরা আন্তরিক ভাবে মর্মাহত। আমাদের আকুল আবেদন তৎকালিন ক্যাম্পের তালিকা এবং মিলিশিয়া ক্যাম্পের তালিকা অনুযায়ী আমাদের মুক্তিযোদ্ধা হিসাবে তালিকাভুক্ত করার জন্য বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা মহোদ্বয়ের সুদৃষ্টি কামনা করছি।

কেএস 

Link copied!